আদালত প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দায়েরকৃত মাদক মামলায় আ. জলিল (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে জীবনজাপিত কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পুরো বিষয়টি সার্বিক পর্যালোচনা শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু শামীম আজাদ আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আ. জলিল শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট এলাকার মো. মহিউদ্দিন সরদারের ছেলে। তবে রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. কাইউম খান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ, র্যাব-১১ এক কঠোর অভিযানে বঙ্গবন্ধু সড়কের রেইনবো এক্সপ্রেস পার্সেল সার্ভিসের সামনে অবস্থানকালে জলিলকে গ্রেপ্তার করে।
তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ৩৩৭ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। জলিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তিনি মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেন। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। বিচার কার্যক্রমের পরেই আজকের রায় দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষণ ও প্রাসঙ্গিকতা
এই রায় দেখায় নারায়ণগঞ্জে মাদকবিরোধী আইন প্রয়োগ কতটা কার্যকর হতে পারে।
৩৩৭ বোতল ফেনসিডিল একটি বড় চালান, যা সাধারণ ব্যক্তির জন্য কিনতে পারার উপায়ে আনা সম্ভব না – ফলে এটা শুধু “খুচরা বিক্রি” না, বরং সংগঠিত অবৈধ ব্যবসার ইঙ্গিত দেয়।
আসামি পলাতক থাকায়, আদালতের রায় কার্যকর করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর উপর চাপ থাকবে — তারা তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম কি না, তা পরবর্তী সময়ের একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
৫০ হাজার টাকা জরিমানা অন্য গ্রেপ্তারদের জন্য সতর্কতা হিসেবে কাজ করতে পারে, বিশেষ করে যাঁরা মাদক ব্যবসায় অংশ নেয়ার কথা ভাবছেন।









Discussion about this post