নগর প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জে কেউ নির্বাচন করবেন কি করবেন না—তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলার মতো কিছু নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুজ্জামান মাসুদ ‘নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা’র কথা উল্লেখ করে নির্বাচন না করার ঘোষণা দেন।
এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “নিরাপত্তা একটা বড় শব্দ। আপনারা সবাই তো আজ এখানে এসেছেন। চাইলে আপনারাও বলতে পারতেন নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আসবেন না। কে নির্বাচন করবে, কে করবে না—এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার।”
তিনি আরও বলেন, কোনো প্রার্থী কেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন—তা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে খুঁজে বের করা যেতে পারে।
এ সময় ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্র বন্ধ এবং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তলবের বিষয়েও সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমরাও কিছুদিন আগে তাদের তলব করেছিলাম। পররাষ্ট্রনীতিতে এটা একটি স্বাভাবিক ও প্রচলিত প্রক্রিয়া—এক পক্ষ তলব করলে অপর পক্ষও করে।”
এছাড়া সাম্প্রতিক সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতা কামনা করেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, “ওসমান হাদি একজন জুলাই যোদ্ধা। দেশের জন্য তার বড় অবদান রয়েছে। তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন—সেজন্য সবাই দোয়া করবেন।”
এদিন বিকেএমইএ’র পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশকে তিনটি করে মোট ছয়টি গাড়ি উপহার দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখস চৌধুরী, শিল্প পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসিম উদ্দিন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আসাদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির এবং জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।









Discussion about this post