নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফতুল্লায় পিস্তলের গুলির খোসাসহ যুবদলের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফতুল্লার জামতলা এলাকায় চেকপোস্টে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— ফতুল্লার পশ্চিম ধর্মগঞ্জ এলাকার যুবদল নেতা মজনু, যুবদল কর্মী রাজু ও আশরাফুল হক।
ফতুল্লা মডেল থানার এসআই কাজী আবুল বাশার জানান, তল্লাশির সময় মজনুর মানিব্যাগ থেকে একটি পিস্তলের খালি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। তিনজনকে মোটরসাইকেলসহ থানায় আনা হয় এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাদের ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি বলেন, মজনু যুবদলের একজন সক্রিয় নেতা। জুলাই আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল। আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোড়া একটি গুলির খোসা কুড়িয়ে সে মানিব্যাগে রেখে দেয়। বিষয়টি জানার পর আমি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি—তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই, আর নির্দোষ হলে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।
তবে স্থানীয় এলাকাবাসীর বক্তব্য ভিন্ন। তাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ফতুল্লা থানা পুলিশের কয়েকজন দারোগার সোর্স হিসেবে কাজ করতেন মজনু। গ্রেপ্তার বাণিজ্য ও পুলিশের দালালি ছিল তার মূল কর্মকাণ্ড। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি জেলা যুবদলের এক শীর্ষ নেতার সহযোগী হিসেবে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয়, অতীত ভূমিকা এবং পুলিশের বর্তমান পদক্ষেপ—সব মিলিয়ে ফতুল্লায় নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্থানীয় রাজনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।









Discussion about this post