নগর প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবিরের কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এ মৃত্যু নতুন করে কারাবন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়টি আলোচনায় এনেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে হঠাৎ করে গুরুতর অসুস্থতা দেখা দিলে তাকে দ্রুত নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা ইমন প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি বিবেচনায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
পরবর্তীতে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক সাতটার দিকে হুমায়ুন কবিরের মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ ফোরকান ওয়াহিদ।
মৃত হুমায়ুন কবির নারায়ণগঞ্জ শহরের গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা এবং মরহুম চান শরীফ সরদারের ছেলে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং গলাচিপা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তার মৃত্যুতে দলীয় নেতা-কর্মী, স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।









Discussion about this post