নগর প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে পুলিশের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী মনির হোসেন কাশেমী।
এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে মনির কাশেমী জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় গত ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করতে বাধ্য হন বলে জানান তিনি।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী এবং ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না।
অভিযোগে বলা হয়, তারা একটি পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে একটি প্রভাবশালী ও বিত্তশালী শিল্পপতি প্রার্থী এবং তার কর্মীদের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন।
মনির কাশেমীর অভিযোগ অনুযায়ী, এর ফলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি, উদ্বেগ ও অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনী প্রচার, সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ কার্যক্রমে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের পরিপন্থী এবং নির্বাচন কমিশনের নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বলেন, “এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার আমাকে ডাকেননি। যদি ডাকে, তাহলে সেখানেই যা বলার বলব।”
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।









Discussion about this post