নগর প্রতিনিধি :
সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুন্ডা পপুলার হাইস্কুলের ভোটকেন্দ্র-২–এ ভোটের আগের রাতে ব্যালট পেপার খোলা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন্দ্র এলাকায় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রিজাইডিং অফিসার মো. বশিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, “বিএনপির লোকজন এখানে সিনক্রিয়েট করছেন।” তিনি দাবি করেন, নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজই চলছিল।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইকবাল ভূঁইয়া জানান, এ বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন।
ঘটনার পর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীনা ইসলাম চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে যেসব প্রক্রিয়াগত কাজ করতে হয়, কর্মকর্তারা সেগুলোই করছিলেন। ভোটার তালিকা অনুযায়ী ব্যালট পেপার মিলিয়ে দেখা হচ্ছিল। এখানে বাইরের কেউ উপস্থিত ছিলেন না এবং দলীয় কোনো আলোচনা হয়নি। বিষয়টি আমরা ভালোভাবে যাচাই করেছি।”
প্রিজাইডিং অফিসারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিয়ম মেনেই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া অনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও কোনো তথ্য মেলেনি বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নির্বাচনকে ঘিরে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের এই প্রেক্ষাপটে ভোটারদের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।








Discussion about this post