নিজস্ব প্রতিবেদক :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একটি আবাসিক হল থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিক্ষার্থীর নাম অরুপ রতন (কনিস্ক মাঝি)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
তাঁর বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন শিমরাইল এলাকায়।
পারিবারিকভাবে তিনি একজন শিক্ষক পরিবারের সন্তান; তাঁর বাবা নারায়ণগঞ্জ সরকারি আইইটি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক।
ঘটনার বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হলের কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর সময় প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা আগে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে হল প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় মরদেহটি নামানো হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।
ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত আলামত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন বিশ্লেষণের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি নিহতের নিজ বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যবেক্ষণ করছে।








Discussion about this post