এনএনইউ রিপোর্ট :
ধর্ষনের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত মৃদুল নামের এক কারারক্ষিকে ৭ দিনের মধ্যে জামিন প্রদান, একই অপরাধে নারায়ণগহ্জ নাী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল আদালত ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেয়ার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জে চলছে তোলপাড় । এমতাবস্থায় এবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৯ম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী (১৬) কে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দয়ের হলেও প্রভাবশালীচক্র শালিশী বৈঠক করে ধর্ষককে জিম্মায় নিয়ে যাওয়ায় সর্বত্র শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা ।
এমন ঘটনাকে ধর্ষনের মহোৎসব বরে মন্তব্য করেছে নারায়ণগঞ্জবাসী ।
জানা যায়, ৯ম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় কিশোরীর বাবা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গত ৪ ফেব্রুয়ারী সোমবার আমতলার জনৈক আব্দুস সামাদের ছেলে সিফাত (২২)সহ কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন । ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ইতিমধ্যেই ধর্ষকের ভগ্নিপতি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর পালিয়ে যায় এজাহারভূক্ত আাসমী সিফাত, গোলাপ হোসেন, মাসুম ও অভিযুক্তে মা সেলিনা ।
মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৬) সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার আমতলার জনৈক আব্দুস সামাদের ছেলে সিফাত (২২) স্কুলে যাওয়া-আসা করার সময় প্রেমের প্রস্তাব দিত।
এক পর্যায়ে সিফাত গত ২৭ জানুয়ারী রবিবার মিজমিজি পূর্বপাড়া ক্যানেলপাড় এলাকায় তাদের নির্মাণাধীন ভবন নিয়ে যায়। সেখানে ঐ ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভিন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় আশপাশের লোকজন টের পেয়ে তাদেরকে আটক করে উভয় পক্ষের স্বজনদের খবর দেয়। খবর পেয়ে সিফাতের স্বজন গোলাপ হোসেন, মাসুম, অভিযুক্তের মা সেলিনাসহ উভয় পক্ষের স্বজনরা উপস্থিত হয়ে ২ ফেব্রুয়ারী শনিবার এ ব্যাপারে মিমাংশার জন্য উভয় পক্ষ বৈঠকে বসে। পরবর্তীতে ২ ফেব্রুয়ারি এব্যাপারে উভয় পক্ষের মধ্যে শালিশ বৈঠক বসলে সিফাতের ভগ্নিপতি ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জহির মুচলেক দিয়ে সিফাতকে তার জিম্মায় নিয়ে যায়।
ইতোপূর্বে সিফাত তার ভগ্নিপতি স্বেচ্চাসেবকলীগ নেতা জহিরের শিমরাইলের বালুর গদিতে চাকুরী করতো। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মীর শাহিন শাহ পারভেজ জানান, এ বিষয়ে ধর্ষন মামলা নেয়া হয়েছে। অভিযুক্ত সিফাতসহ আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।









Discussion about this post