বন্দর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী ও কলাগাছিয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজিমউদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বি বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ার প্রধানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘গত সপ্তাহে আমার ৬জন কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। পরে তাদের আমি আইনী লড়াই চালিয়ে জামিনে মুক্ত করেছি। এর মধ্যে গতকাল শুক্রবার সাবদিতে আমি নৌকার ক্যাম্প করেছিল। রাতে সেই ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে। আবার যদি আমার নৌকার উপর আঘাত আনা হয় তাহলে তোমার হাত আমি ভেঙে দিব। চুরমার করে দিব। তোমার যদি এত শক্তি থাকে সামনা সামনি লড়াই করবো। তুমি কার ভরসায় এত বড় বড় কথা বলো। তুমি তোমার নেতাকে বলে দিও আমি কাজিমউদ্দিন বলছি আমাকে যদি ক্ষেপাও তাহলে তোমার বাপকেও আমি ছাড় দিব না। আমার ক্যাম্প মারধর করবে তুমি মনে রেখে তোমার মত দেলোয়ারের মত চারজনকে আমি চার পাচটা পকেটে রাখি। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কলাগাছিয়াতে নেতৃত্ব দিব। নতুবা তুমি দিবে। কিন্তু তুমি সন্ত্রাসী কায়দায় সব কিছু দখল করতে চাইছ। আমি মনে করি আমার এ বক্তব্যের পর যদি দেলোয়ার প্রধান তুমি আঘাত করো তাহলে খবর আছে। আমি এও জানি তুমি তোমার ক্যাম্প জালিয়ে দিয়ে আমার নেতাকর্মীদের আসামী করবে। দেলোয়ার উগ্র হয়ে আছে। লাঙলের ক্যাম্প জ্বালিয়ে দিয়ে আমার নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন।
৩০ অক্টোবর বন্দরে শেখ রাসেল স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে কাজিমউদ্দিন এসব কথা বলেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে বন্দরে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের সাবদী এলাকায় আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর করার খবর পাওয়া গেছে। দেলোয়ার প্রধানের লোকজন এই ভাঙচুর চালিয়েছেন অভিযোগ কাজিমউদ্দিনের।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বন্দরের ২৩ নং ওয়ার্ডে নবীগঞ্জ গার্লস স্কুলের নব নির্মিত ভবন উদ্বোধনকালে সেলিম ওসমান বলেন, একজন কলাগাছিয়াতে নির্বাচন করছেন। আজকে ১২৬৫ জন শিক্ষার্থী আমাদের ভবিষ্যৎ নাগরিক। কোন লুটেরাকে চেয়ারম্যান বানিয়ে কোন লাভ হবে না। গাঞ্জার নৌকা কখনো তাল গাছে উঠবে না। কলাগাছিয়াতে লাঙল প্রতীকে দেলোয়ার হোসেন নির্বাচন করছেন। আমি কোন জোরের কথা বলছি না। কলাগাছিয়াতে দেলোয়ার হোসেন জিতলে আরো বেশী উন্নয়ন করবো। আমি তাই দেলোয়ারকে চাই। সেলিম ওসমান বলেন, আমরা শেখ হাসিনার নৌকা। আমরা গাঞ্জার নৌকা না। শ্রমিক নেতা, তিতাস গ্যাসের নেতা, বাড়িতে বাড়িতে লাইন দিয়া বন্দরের মানুষকে ১২টা বাজায়া নেতাগিরি করে। পয়সা কামাইসে সেই পয়সা এখন খরচ করতে হবে। হারামের পয়সা ব্যারামে খায়। উনার ব্যারামের পয়সা ইলেকশনে খরচ করছে। আমার দেলোয়ারের কোন পয়সা খরচ করতে হবে না। ইনশাআল্লাহ আমার ও আমার পরিবারের দোয়া দেলোয়ারের সাথে থাকবে। জয়ী দেলোয়ার হবেই। দেলোয়ারের সাথেই কলাগাছিয়ার উন্নয়ন হবে। আমি মোটেও ভয় পাইনি যে গাঞ্জার নৌকার সাথে ফাইট করছে। আমার সাথে ৩ জন মানুষ কাজ করেছেন। একজন মুকুল, আরেকজন আমার বন্ধু প্রয়াত আবু জাহের সাহেব, আরেকজন বিশিষ্ট নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান (এম এ রশিদ)। উনি আজ এখানে নেই, উনি কলাগাইচ্ছায় (কলাগাছিয়া ইউনিয়ন) গাঞ্জার নৌকা তালগাছে উঠাইতে গেছেন। উনার বুঝা উচিৎ এইটারে (নৌকার প্রার্থী কাজিম উদ্দিন) আজকে চেয়ারম্যান বানালে কয়েকদিন পরেই থাকবে না। কোন লুটেরাকে চেয়ারম্যান বানায়া আপনার কোন লাভ হবে না। গাঞ্জার নৌকা কখনও তালগাছ দিয়ে উঠবে না।









Discussion about this post