নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর বুয়েট ছাত্র ফারদিন নূর পরশের ময়না তদন্তের প্রতিবেদনে তার মৃত্যু আঘাতজনিত কারণে হয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার পুরো মাথায় ও বুকের পাঁজরেও আঘাত ছিল। মূলত মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ময়না তদন্তের প্রতিবেদন জেলা সিভিল সার্জনের কাছে জমা দেয়া হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন পেয়ে সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মশিউর রহমান বলেন, ‘ফারদিনের বুকের দুই পাশে ২-৩টি ভোঁতা দেশীয় অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ফারদিনের মাথায় ৪-৫টি আঘাত ছিল। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়।’
ফারদিনের বাবা কাজী নূর উদ্দিন বিজনেস পত্রিকা ‘দ্য রিভারাইন’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ফারদিনের মা ফারহানা ইয়াসমিন গৃহিণী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলায়। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন ফারদিন। তাঁর মেজ ভাই আবদুল্লাহ নূর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। ছোট ভাই তামিম নূর এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।
পড়াশোনায় মেধাবী ফারদিন এসএসসি ও এইচএসসিতে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েছিলেন। গবেষণায় আগ্রহ ছিল তাঁর। ফারদিন নিজের ইচ্ছায় বুয়েটে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান তাঁর বাবা নূর উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ওরে স্বাধীনভাবে পড়াশোনা করতে দিয়েছি। যেহেতু আমি সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলাম, তাই খুব একটা সচ্ছল ছিলাম না। ফারদিন নিজে টিউশনি করত। নিজের পড়াশোনা, পড়ানো, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আসা-যাওয়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ড যুক্ত ছিল।’









Discussion about this post