ফতুল্লার আকবর নগরের সেই দুর্ধর্ষ সামেদ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ জুলাই) বিকেলে ফতুল্লার ভুইগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আজম গণমাধ্যমকে জানান, একটি প্রতারণা মামলায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টসহ আরো ৯টি মামলায় সামেদ আলীর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের আকবরনগর গ্রাম। এ গ্রামে ইটখোলায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলের প্রভাব নিয়ে রহিম হাজি ও সামেদ আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এতে মুখোমুখি দুই গ্রুপের টেঁটাযুদ্ধে এ পর্যন্ত একাধিক লোকজন নিহত ও আহত হয়েছে। অনেকের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করে আসবাবপত্র লুট করা হয়েছে। তাদের এ সংঘর্ষের আতঙ্কে কয়েক গ্রামের মানুষ বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্রে বসবাস করতেন। তাদের সংঘর্ষ থামাতে পুলিশকে শত রাউন্ড গুলি ছুড়তে হতো। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও রহিম হাজি ও সামেদ আলীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
এদিকে ফতুল্রা থানা এলাকার একটি নির্ভরশীল সূত্র জানায়, “মূলতঃ ফতুল্লার একটি বাসা থেকে হাজি সামেদ আলী ও তার ছেলে গনিকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর নানা নাটকীয়তার পর পুলিশ সাামেদ আলীকে অসুস্থতার কথা বলে সরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাদের ছেড়ে দিতে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে দরকষাকষি। কোন অবস্থাতেই যাতে গণমাধ্যম কর্মী টের না পায় এর জন্য সামেদ আলী ও তার ছেলে গণির ২০/২৫ জন কর্মী হাসপাতালের সব দিকে নজরদারী শুরু করে যাতে গণমাধ্যমকর্মীদের কেউ টের না পায়। এমন কঠোর নজরদারী ও ভীতিকর পরিস্থিতর মধ্যেই হাসপাতারের ভিতর থেকে মোবাইল ফোনে ফুটেজ গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে আসার খবর চাউর হলে পুলিশের বাড়ন্ত ভাতে উড়ন্ত ছাই পরে যায়। এর পর পুলিশ সদস্যরা হাসপাতলে থাকা সামেদ আলীকে বলতে থাকেন ‘আর আপনাকে ছাড়তে পারলাম না। সাংবাদিকরা জেনে গেছে সামেদ আলী গ্রেফতারের খবর।”’
এভাবেই ৩ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের আলোচনায় প্রতিবেদককে জানায় এই সূত্র।









Discussion about this post