সেই মোস্তফা কামাল । যার বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানা এলাকার রয়েছে নানা অভিযোগ । এবার তিনি ফতুল্লা ছেড়ে ডেমরা এলাকায় জমি দখলের জন্য হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।
জানা যায়, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডাইরী করেছেন আব্বাস নামে সাবেক এক মাদ্রাসা শিক্ষক।
ওই শিক্ষক দাবি করেন সাইনবোর্ডস্থ নিউ টাউন আবাসিক এলাকায় তার ক্রয়কৃত জায়গা জোরপূর্বক দখল নিতে চায় মোস্তফা কামাল। গত ৯ জুলাই তার ক্রয়কৃত জায়গায় গেলে আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তফা কামাল লোকজন নিয়ে এসে তাকে মারধর সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বের করে দেয়।
ফতুল্লা থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ সভাপতি ও ফতুল্লা থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন এই মোস্তফা কামাল। তার ভয়ে বর্তমানে পরিবার নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মাতুয়াইল সুফিয়া মুকবুল ইব্তিদায়ী মাদ্রাসার সাবেক এই প্রধান শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে ডেমরা থানাধীন মাহমুদ নগর সাইনবোর্ড নিউ টাউন আবাসিক এলাকায়। আদালতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও সেই জায়গায় আওয়ামীলীগ নেতা নিজের নামে সাইনবোর্ড টানিয়ে এবং প্রবেশে বাঁধা দিয়ে করছেন দখলের চেষ্টা এমনটিই দাবি এই সাবেক শিক্ষকের।
ভুক্তভোগী সাবেক শিক্ষক আব্বাস উদ্দিন জানান, আমি একজন অবসারপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক। আমার সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে ২০১৮ সালে নিউ টাউন আবাসিক এলাকায় ৪ দশমিক ৮০ শতাংশ জায়গাটি ক্রয় করি। এই জায়গাটি আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তফা কামাল জোরপূর্বক দখল নিতে চায়। আমার জায়গায় আমাকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেনা। সে আওয়ামীলীগ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে আমাকে হুমকি দিচ্ছে। গত কয়েকদিন আগে আমার জায়গায় গেলে মোস্তফা কামাল লোকজন নিয়ে এসে অকথ্য ভাষায় আমাকে গালিগালাজ করে মারধর সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বের করে দেয়। এখানে আসলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে। আমি আমার বাড়িতেও নিরাপদে থাকতে পারচ্ছিনা। পরিবার নিয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এ ব্যাপারে আমি ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেছি। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ডিসি, এসপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ জায়গা নিয়ে আদালত ১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তা সত্বেও এই জায়গায় আওয়ামীলীগ নেতা মোস্তফা কামাল নিজের নামে সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোস্তফা কামাল জানান,
প্রাণ নাশের হুমকি টা কিভাবে দেওয়া হয়েছিল ফোনে না সরাসরি। আব্বাস আলীর মোবাইল নাম্বারই তো আমার কাছে নাই। এই জায়গার মালিক আমি সে এখানে প্রবেশ করবে কেন?
ঘটনার তদন্তে থাকা ডেমরা থানার এস আই আব্বাস কবির চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।









Discussion about this post