বন্দর উপজেলার দক্ষিণ লক্ষন খোলা এলাকার শাহিন কামাল (২৩) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার দায়ে ১৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুইজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
রবিবার (২৮ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা’র আদালত দশ জন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন৷
সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন, বন্দরে উক্তর লক্ষন খোলা এলাকার মৃত মহিউদ্দিন এর ছেলে মিশু (২৮), দক্ষিন লক্ষন খোলা এলাকার মাইনউদ্দিন এর ছেলে বাহাউদ্দিন(২৮), কফিল উদ্দিন এর ছেলে মজিদ ওরফে মইজ্জা(৩০), কলিমউদ্দিন এর ছেলে মাহাবুব (২৮), সিদ্দিক মািয়ার ছেলে আব্দুল কাদের(৩৫), আবদুর সোবহানের ছেলে শহিদ (২৫) ও সালাউদ্দিন ওরফে সেলু(২৮), মৃত আব্দুল বাতেনের ছেলে সামু(৩২),বাবুল (১৯), আফসার উদ্দিনের ছেলে কবির হোসেন(২৭), আবদুর হকের ছেলে সালাম (৩৫) মৃত আবদুর সামাদের ছেলে সামছুল হক(২৫), মৃত রজব আলীর ছেলে আহমদ আলী(৪০), রানা(৩০)।
এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, দক্ষিন লক্ষন খোলা এলাকার লিটন (২৬),দেউলি চৌড়াস্তা এলাকার মেছের আলীর ছেলে আরিফ হোসেন (৩০)।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন,জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের সহকারী পি পি এডভোকেট সুইটি ইয়াসমিন বলেন, শাহিন হত্যায় মামলায় সুষ্ঠ তদন্তে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
এরপর দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার ১৪ আসামীদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক। এবং দুই জনকে এ হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ হত্যা মামলা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে ২ জুলাই লক্ষন খোলাস্থ সোহাগপুর টেক্সটাইল মেইলের বাউন্ডারির ভিতরে জায়গা ড্রেজারে মাধ্যমে বালু ভরাটকালে ব্যবসায়িক কোন্দলের জের হিসেবে লক্ষন খোলা এলাকার শাহ্আলম মিয়ার ভাতিজাকে অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে তারা ভাতিজাকে এলোপাথালি কোপাইয়া রক্তাত্ত জখম করে পরে স্থানীয় ও আমরা খবর পাইয়া শাহিনকে খাঁনপুর হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে কর্তব্যরত ডাক্তার ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার শাহিন কে মৃত ঘোষনা করে। এবং পুলিশ সুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্যে মর্গে পাঠায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিহত শাহিনের চাচা শাহ আলম বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন৷









Discussion about this post