কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের বহনকারী গাড়িটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছিল বলে দাবি করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ। এতে ছিনতাইকারীরা হামলা চালিয়ে ছাত্রনেতাদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মুঠোফোন, ব্যাগসহ মালামাল কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সময় হামলাকারীদের ভেঙে ফেলা গাড়ির কাঁচে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন বরেও জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার দিবাগত (৯ ডিসেম্বর) রাত দুইটার দিকেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটলে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। ওই পথে বান্দরবানের লামার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন হামরার শিকার ছাত্রনেতারা।
ছিনতাইয়ের ঘটনার সময় গাড়িটিতে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব আরিফ সোহেল; সদস্য রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা, মাহমুদা সুলতানা, রাকিব মোহাম্মদ, মুঈনুল ইসলাম, ইব্রাহিম নীরব; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসমিন মিতু ও ছাত্র নেতা মিশু আলী। তাঁদের মধ্যে রাকিব মোহাম্মদ ও মাহমুদা সুলতানা আহত হয়েছেন।
ঘটনার পর সংগঠনটির মুখপাত্র উমামা ফাতেমা জানান, আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি স্মরণ সভা ও মত বিনিময়ে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের। ওই উদ্দেশ্যে গতকাল রাতে আট সদস্যের প্রতিনিধি দল একটি গাড়িতে করে ঢাকা তেকে রওয়ানা দেয়। মধ্যরাত দুইটার দিকে গাড়িটি মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় হামলার শিকার হয়।
ওই সময় গাড়িতে ছিলেন রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা। তিনি গতকাল রাত আড়াইটায় সাংবাদিকেদের জানান, আমাদের গাড়িটি যানজটের কারণে ধীরে চলছিল। ওই সময় চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকা একদল লোক গাড়ির কাচ ভেঙে চালকের গলায় চাপাতি ধরার পর হামলাকারী ব্যক্তিরা গাড়িটির চারপাশ ঘিরে ফেলেন। চাপাতিসহ অন্য অস্ত্রের আঘাতে পুরো গাড়িটির কাঁচ ভেঙ্গে আমাদের মুঠোফোন, টাকা, ব্যাগ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি কেড়ে নেয়। হামলাকারীরা আরিফ সোহেল ভাইকে টেনে হিঁচড়ে গাড়ির বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করে । এই ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হলে হামলাকারী ব্যক্তিরা দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।’
এমন ঘটনাকে ছিনতাই উল্লেখ করে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল বারী বলেন, ‘গাড়িটি ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছিলো। পাশেই আমাদের একটি টহল দল থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের টহল দলটি এগিয়ে গেলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। ইতিমধ্যিই ছিনতাইকারীদের ধরতে তৎপরতা শুরু পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃংখলা বাহিনী।’









Discussion about this post