রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষককে অপহরণের পর নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার ঘটনায় অপহরণকারী দলের সদস্য কাজী মাসুদ (৩৮) কে আটক এবং অপহৃত শিক্ষক সাইদুর রহমানকে (২৩) উদ্ধার করে পুলিমের কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় জনতা।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে বন্দর উপজেলার চর-ঘারমোড়ার আজিজ মিয়ার বাড়ি থেকে মাদ্রাসা শিক্ষককে উদ্ধারের পাশাপাশি আটক করা হয় অপহরণকারীকে ।
উদ্ধার হওয়া সাইদুর রহমান সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানার করগাঁও এলাকার আনফর আলীর পুত্র। আর গ্রেফতার কাজী মাসুদ বন্দর উপজেলার ফরাজিকান্দা এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের পুত্র ।
অপহরণের ঘটনায় সাইদুর রহমান বাদী হয়ে কাজী মাসুদসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিষয়ে সাইদুর রহমান জানায়, বন্দর উপজেলার মদনপুরে ফুপাত ভাই জুয়েলের সঙ্গে দেখা করে কর্মস্থল ডেমরা থানার সারুলিয়া পশ্চিম বক্সনগর তারতিলুল কুরআন মাদ্রাসা যাওয়ার জন্য সিএনজিতে উঠলে সিএনজি অটোরিকশাটি কিছু দূর যাওয়ার পর গাড়িতে থাকা অপহরণকারীরা ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হত্যার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক তাকে বন্দরের কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চরঘারমোড়া এলাকায়ে এনে আটকে রাখে। আটকাবস্থায় অমানবিক নির্যাতন করে এবং সঙ্গে থাকা ১টি মোবাইল ফোন সেট, নগদ ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে অপহরণকারীরা। আহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসেবে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে জীবন রক্ষার্থে তিনি মাদ্রাসার শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে তার নম্বরসহ অপহরণকারীদের বিভিন্ন নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা পাঠায়। এরপরে মারধরের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী চক্রের হোতা কাজী মাসুদকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আটককৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে একই সাথে পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।









Discussion about this post