আশ্চর্য হলেও সত্যি একটি হত্যা মামলার আসামী ও কুখ্যাত ওসমান পরিবারের দোষর নিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (৫৩) নামের একজন সুবিধাভোগী অপরাধী এবার চাঁদার দাবিতে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ তুলে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ।
নিয়াজ উদ্দিন আহমেদ কে সম্প্রতি ফতুল্লা থানা পুলিশ ওই হত্যা মামলার আটক করলেও দ্রুত তাকে ছেড়ে দেয়ার পর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এমন ঘটনার পর আবার থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা দায়ের করায় গুঞ্জনের ঝড় বইছে সর্বত্র।
নিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সোনারগাঁয়ে হেফাজত কর্মী ইকবাল হত্যা মামলার ২৯ নম্বর আসামি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে করা মামলারও আসামি।
বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদও ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও হামলার অভিযোগে করা একাধিক মামলার আসামি হয়ে এলাকা ছাড়া পলাতক রয়েছেন।
সোনারগাঁও থানার দায়েরকৃত মামলার আসামী নিয়াজ উদ্দিন আহমেদের দায়ের করা মামলার আসামীরা হলেন : এহসান উদ্দিন (৫৩), মো. তানজিল (৩৩), মিনতাজ (২৮), গোলাম হোসেন (৬৫), মো. বাপ্পি (৩২), মো. শান্ত (২৮), সালাম (৫৫), হাসান (২৮), রিফাত (২৭), রহমান (৫৬), জাহিদ (২৮), বুলেট (২৮), মো. সালাউদ্দিন (৩২), জয় (৩৫) সহ অজ্ঞাত আরও ৪৫-৫০ জন।
জানা যায়, বন্দর উপজেলার টি হোসেন রোড এলাকায় বাদী নিয়াজ উদ্দিন আহমেদের মালিকানাধীন কদমরসুল কমিউনিটি সেন্টারে উল্লেখিত এজাহারভুক্ত আসামীরা চাঁদার দাবিতে হামলা করে ভাংচুর চালায় এবং আহত করে। ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হলেও এলাকাবাসীর প্রশ্ন হত্যা মামলার আসামী নিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এখনো কি করে প্রকাশ্যে থাকছে ?
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, কমিউনিটি সেন্টারের গ্লাস, থাই গ্লাস, সিলিং ফ্যানসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল ভাঙচুর চালিয়ে ক্ষতিসাধন করা হয়।
এই হামলায় বাদী নিয়াজ উদ্দিন বাধা দিতে গেলে তানজিল লোহার পাইপ দিয়ে তাকে আঘাত করে এবং রামদা দিয়ে গুরুতর আহত করে। একই সাথে ভাগিনা বাবুকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়া হলেও বাদী নিয়াজ উদ্দিনক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
অভিযুক্তরা ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
এমন অভিযোগের বিষয়ে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিনের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নিয়াজ উদ্দিন আহমেদের দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম পিপিএম জানান, নিয়াজ উদ্দিনক আহমেদের মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে ।”









Discussion about this post