রাজধানী ঢাকার অদূরে গাজীপুরের টঙ্গীতে তুরাগ নদের তীরে নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব ইজতেমা, এমনটি শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ইজতেমা মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেন, ‘বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুতির কাজ চলমান। টয়লেট, ওয়াচ টাওয়ার, প্যান্ডেলসহ যাবতীয় কাজ ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ে মধ্যেই সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যাবে।’
প্রথম ধাপে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। আগের দেওয়া তারিখ অনুসারে দ্বিতীয় পর্ব ৭-৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া কথা রয়েছে। তবে দ্বিতীয় পর্বের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।
স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না আসলেও এরই মধ্যে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল টঙ্গীর ময়দানে সাদপন্থীদের ইজতেমা করতে দেয়া হবে না বলে হংকার দিয়েছেন । সাদপন্থীদের ইজতেমার অনুমতি দিলে সেটা প্রতিহত করতে সারাদেশের লাখো লাখো তৌহিদী জনতা কাফনের কাপড় মাথায় নিয়ে লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বাদ জুম্মা সাদপন্থীদের নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার হাজীগঞ্জ নতুন সড়ক সংলগ্ন মার্কাজ স্থাপন বন্ধ করা এবং তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আউয়াল এমন মন্তব্য করেছেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, হাজীগঞ্জ এলাকায় কয়েকশ ফুটের মধ্যে ৩টি মসজিদ থাকলেও সাদপন্থীরা সেখানে ফিতনা ছড়ানোর জন্য মার্কাজ নির্মাণের পায়তারা করছে। সাদপন্থীদের হাজীগঞ্জ এলাকায় কোন অবস্থাতেই মার্কাজ করতে দেয়া হবে না বলে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন বক্তারা।
ফতুল্লায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা জুনাইদ, মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান, মুফতী হারুনুর রশিদ, মুফতী জাকির হোসেন কাসেমী মুফতী মাহমুদ হাসান, মাওলানা মাহবুবুর রহমান, মাওলানা সুলতান আহাম্মেদ, মাওলানা শাহজালাল, মুফতী মনিরুজ্জামান, মুফতী নেয়ামত উল্লাহ, মুফতী আব্দুর রহিম, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মাদানী, মুফতী ফয়জুল্লাহ, মাওলানা জুবায়ের, মুফতী ইমরানসহ অনেকেই।









Discussion about this post