সিদ্ধিরগঞ্জে ভাড়া বাসায় গ্যাসের লাইন লিকেজ হয়ে বিস্ফোরণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে এই নিয়ে এ ঘটনায় মৃত্যুর মিছিলে দুইজনের ঠাঁই হলো।
আজ শনিবার (৮ মার্চ) বেলা পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারির ইনস্টিটিউটের এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সুমাইয়ার বয়স ১৮ মাস।
এ বিষয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা পৌনে ১১টায় মৃত্যু হয় শিশু সুমাইয়ার। তার শরীরের ৪৪ শতাংশ দগ্ধ ছিলো।
শুক্রবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় রিকশা চালক হান্নানের (৪০)। তার শরীরের দগ্ধ ছিল ৪৫ শতাংশ।
সিদ্ধিরগঞ্জের এই ভাড়া বাসায় দগ্ধ অনেকেরই শ্বাসনালি পুড়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসক।
গত সোমবার (৩ মার্চ) ভোররাত তিনটায় ঘটে এ ঘটনা। সাথে সাথেই দগ্ধ অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হলে চিকিৎসা শুরু করে বার্ণ ইন্সস্টিটিউট কর্তপক্ষ ।
দুই পরিবারের আট দগ্ধদের মধ্যে একই পরিবারের পাঁচজন। আরেক পরিবারের ৩ জন। তারা হলেন, সোহাগ (২৩), রুপালি (২০), সামিয়া (১০), জান্নাত (৪), হান্নান (৪০), সাব্বির (১২), সুমাইয়া (এক বছর ছয় মাস) ও নুরজাহান লাকি (৩০)।









Discussion about this post