নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতায় ডিকেএমসি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় চিকিৎসকের অবহেলা ও ত্রুটির কারণে শিপা (২৩) নামে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ভুলতা এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও নার্সরা পালিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে চিকিৎসার নামে কী হত্যা চলছে।
শিপার মামা ওসমান মিয়া জানান, হাটাবো এলাকার আলিম হোসেনের মেয়ে ও মাসুদ মিয়ার স্ত্রী শিপা (২৩) প্রসব ব্যথা অনুভব করলে শনিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬ টায় ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় অবস্থিত ডিকেএমসি হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রসূতির স্বজনরা ।
চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সিজারিয়ান অপারেশনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। অপারেশন সম্পন্ন হওয়ার পর রাত সাড়ে ৯ টায় প্রসূতি মা শিপা মৃত্যুবরণ করেন, তবে নবজাতক জীবিত রয়েছে।
প্রসূতি শিপার আত্মীয়-স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের অবহেলা বা চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় ত্রুটির ফলেই এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
এমন মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মৃত শিপার আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা ডিকেএমসি হাসপাতালে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। এ সময় ভুলতা ফাঁড়ি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
শেষ খবর পর্যন্ত জানা যায়, এমন বিক্ষোভ ও উত্তেজিতদের শান্ত করতে পুলিশ চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সাথে মীমাংসার করার জন্য চালিয়েছে আলোচনা।
প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় উপস্থিত গোলাকান্দাইল এলাকার অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই ক্লিনিক টির মালিক ডাক্তার আবুল কাশেম। তিনি ধরাকে সরাজ্ঞান করেই অসুস্থদের সাথে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেন৷ কয়েকদিন পর পরই এমন মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ দেখা যায়। এরপরেও টনক নড়ে না কর্তৃপক্ষের। ডাক্তার আবুল কাশেম নাকি ডিজি অফিস আর সিভিল সার্জন অফিস নিয়ন্ত্রণে খুব পারদর্শী। যার কারণে চিকিৎসার নামে এমন অবহেলা ঘটিয়ে রক্ষা পেয়ে যান।









Discussion about this post