সিদ্ধিরগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহীন মিয়া (২৭) কে অপহরণ করে তুলে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতা সরল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহীন মিয়ার পিতা আবদুর রশিদ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৮ জনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
শাহীন মিয়া তার অভিযোগে বলেন, ‘সাইনবোর্ড এলাকায় বাসের টিকিট বিক্রির কাজ করেন। সম্প্রতি সেখানে একটি চায়ের দোকান দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। যুবলীগ নেতা সরল বাহিনী তার কাছে বার বার ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদা না দিলে তাকে সেখানে ব্যবসা করতে দেবে না বলে হুমকি দেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাকে কয়েকবারই দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সরল এবং তার ভাই নিশাদ ও হেলালসহ ৪/৫ জনের একদল সন্ত্রাসী বাহিনী সাইনবোর্ড টিকিট কাউন্টার থেকে প্রকাশ্যে শাহীন মিয়াকে টেনে হেঁচড়ে একটি প্রাইভেট কারে উঠিয়ে নিয়ে পাশে মিতালী মার্কেটের তাদের টর্চার সেলে নিয়ে যায়। সেখানে শাহীনকে লোহার পাইপ, হকিস্টিক দিয়ে অমানুসিক নির্যাতন চালায়। পরে সে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ছাড়া পান। তবে ছেড়ে দেওয়ার পূর্বে তারা শাহীনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিডিও ধারণ করে রাখে এবং বলে তুই বাড়াবাড়ি করলে এই ভিডিও প্রশাসনের কাছে দিয়ে বলব তুই ছিনতাইকারী।’
জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফতুল্লা থানায় ছাত্রহত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা সরল। সে আওয়ামী লীগ আমলে সিদ্ধিরগঞ্জের আওয়ামী লীগের এক নেতার ক্যাডার ছিলেন। বর্তমানে সরল ও হেলাল ফরাজি বাহিনীর সন্ত্রাসী তাণ্ডবে সাইনবোর্ড স্ট্যান্ড, মিতালী মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন।
ঘটনার সম্পর্কে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করি। এসময় অভিযুক্ত কাউকে পাইনি। এঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’









Discussion about this post