নানা অপরাধের পর অসংখ্য মামলায় কারাগারে বন্দি সেই তেলচোর দেলোয়ার হোসেন ও দেলুর পাম্পে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বন্দরে জ্বালানি তেল পরিমানে কম ও নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রি করার অপরাধে ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও পাম্পের সামায়িক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত ।
আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি টিম ফরাজিকান্দাস্থ প্রধান ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে পাম্পের কার্যক্রম সামায়িক বন্ধসহ অর্থ দন্ড করেন।
ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালীন সময়ে অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল বিতরণের ৩ টি ডিজিটাল মেশিন পরীক্ষা করে প্রতি লিটারে ৩০ মি.লি. করে গ্রাহকদের হাতেনাতে জ্বালানি তেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিধিবহির্ভূতভাবে জ্বালানী তেল বিতরণ করার পাশাপাশি সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণ না করায় কর্তৃপক্ষকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে সাময়িক ভাবে প্রধান ফিলিং স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এমন ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, নারায়ণগঞ্জের গডফাদার পলাতক ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ দোসর ও জেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি তথা কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান ওরফে তেলচোর দেলু নৌকার মাঝি থেকে চোরাই তেলের রমরমা বাণিজ্য করে প্রধান ফিলিং স্টেশনের মালিক ছাড়াও সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে চোরাকারবার করে।
একই সাথে ওসমানী সাম্রাজ্যে টিকিয়ে রাখতে এমপি সেলিম ওসমানের শেল্টারে তেল সেক্টরের ক্যাশিয়ার দেলোয়ার হোসেন প্রধান প্রভাব খাটিয়ে রেলওয়ের জমি দখল করে প্রধান ফিলিং স্টেশন নামে একটি স্থাপনা তৈরি করে জ্বালানি তেল চুরি ছাড়াও মদ, জুয়া, নারী কেলেংকারীর মহোৎসব চালাতো এই তেলচোরা দেলু।









Discussion about this post