বন্দর প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলার ওসমান পরিবারের দোসর, ভূমি, বালুদস্যু চাঁন মিয়া ও প্রদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে মসজিদকে নিজেদের সম্পত্তির মত ব্যবহার করতো।
টাওয়ার চাঁন মিয়া অক্ষরজ্ঞান না থাকেলেও মসজিদ কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ মিয়া সমাজে সুশীল মাস্টার মাইন্ডার হিসিবে প্রবাব বিস্তার করতো। অফরাধী চক্রের এই ২ রত্ন কি চায় ? মসজিদ কমিটির মধ্যে থাকলেই কি লাভ আর না থাকলেই কি এমনই প্রশ্ন সর্বত্র চাউর। মসজিদের মত বিষয়ে দোসরদের কালো থাবা।
মুসুল্লীদের অনেকেেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মেঘনার সেই বালু লুন্ঠনকারী সেই চান মিয়া এখনো রয়েছে বহাল তবিয়্যতে। তার অবৈধ অর্থ দিয়ে লালিত পালিত অনেক অপরাধীরাই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে চান মিয়ার মতো অপরাধীকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে ।
সুশীল সমাজের লোকজন এরুপ দোসর ও মূর্খদের জন্য ভালো কাজে আসে না, আসতে চাইলেও নানা বাঁধা। এ ঘটনাটি সর্বত্র সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে ।
সূত্র মতে, বন্দর কবরস্থান রোড বায়তুল আমান জামে মসজিদে পূর্বের অবস্থানে থাকার জন্য দখল বাণিজ্য চলছে। স্বৈরচারী সরকারের ওসমান পরিবারের দোসর বালুদস্যু, টাওয়ার চান মিয়া ও দুলাল প্রধানের অর্থ উপদেষ্ট প্রদীপ দীঘ ১৬ বছর যাবত মসজিদ কমিটি দখল করে আছে।
৫ ই আগষ্ঠের পর এই দোসর দের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন হয় কিন্তু এলাকার কিছু নাম দারী বিএনপি নেতাকে আর্থিক সুবিধায় হাত করে আবার ও মসজিদ কমিটি নিজের কাছে রাখতে মহা পরিকল্পানা করছে বলে এলাকাবাসী জানান ।
অপরাধ জগতের সম্রাট নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসীদের গডফাদার শামীম ওসমান পালিয়ে গেলেও তার দোসররা গাঢাকা দিয়ে আবার ও এলাকার ফিরতে চেষ্টা চালাচ্ছে। কিছু নামধারী দালাল নেতারা বি এনপি মত এত বড় একটি সংগঠন কে প্রশ্ন বিদ্ধ করছে। কমিটির করার নাম করে রাতের আধারে ৫ লাখ টাকা খেয়েছে কিছু বিএনপি নামধারি নেতারা তাই এলাকার আতঙ্কে বিরাজ করছে। যে কোন সময় কিছু একটি দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা প্রকাশ করেছে স্তানীয় মুসুল্লীগণ।
এলাকাবাসী দাবি বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বন্দর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার জরুরী ও কঠোর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করলে পরিস্থিতি শান্ত থাকবে । নাইলে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মসজিদ কমিটি থেকে বিতর্কিতদের অপসারণ করে প্রকৃত মুসুল্লী, শিক্ষিত ও সুশীল সমাজের লোকজনদের দিয়ে স্বচ্ছতার সাথে কমিটি গঠনের মাধ্যমে এলাকাবাসীকে রাহু মুক্ত করার দাবী উঠেছে জোড়ালোভাবে।









Discussion about this post