‘চালের দাম কমে অনেকটা সহনশীল হয়ে আসছে। একেবারে পড়ে যাওয়াটাও ঠিক না। কারণ কৃষকদের ন্যায্য মূল্য পেতে হবে। আমরা সেদিকে সর্তক আছি। কারণ কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাইলেই উৎপাদনে উৎসাহিত হবে।’
এভাবেই আজ শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার একরামপুর এলাকার সাইলো গুদাম নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এমন মন্তব্য করেন।
উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘‘আমাদের গমের চাহিদা বছরে ৭০ লাখ টন। কিন্তু আমাদের দেশে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হচ্ছে ১০ লাখ টন। বাকি ৬০ লাখ টনই আমরা আমদানি করি বেসরকারিভাবে।’
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে আশানুরূপ রোরো ফসল উৎপাদন হয়েছে। সুতরাং আমরা বিভিন্ন জায়গায় মাল রাখতে পারি সে ব্যবস্থা করেছি। নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গম ও চালের গুদাম আগে থেকেই সিএসডি ছিল। এখন এটাকে সাইলো করা হলো। খাদ্য মজুদ করার জন্য এটা ভালো জায়গা। এটার সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক ভালো।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিততে গমের চাহিদা প্রসঙ্গে আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “আমাদের দেশে প্রতি বছর গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদিত হয়। বাকি ৬০ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানি করতে হয়, যার বেশিরভাগই বেসরকারিভাবে আমদানি করা হয়।”









Discussion about this post