সোনারগাঁয়ের নানা অপরাধের হোতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় নদীসহ সরকারী বেসরকারী জমি দখল করে মেঘনা গ্রুপকে হস্তান্ত করে হাজার কোটি টাকা লুৃটপাটের পর ওসনমান পরিবারের সাথে মিলেমিশে বন্টনকারী সেই পলাতক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার (১২ মে) সকালে একটি ফ্লাইটে হজ্ব পালনের নাম করে দেশ থেকে পালানোর সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুলিশ তাকে আটক করে।
আর এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ ইমরান।
জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত ছাত্র ও জনতার ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে সোনারগাঁ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আটক করে সোনারগাঁ থানায় আনার পর ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমের চোখ ছিলো সাংবাদিকদের দিকে। কেউ যাতে হাতকড়া অবস্থায় ছবি তুলতে না পারে সেই লক্ষে কৌশলে পুলিশের কাছে তদ্বিরও করেন তিনি।

অসংখ্য অভিযোগ থাকার পরও এতোদিন বিএনপির স্থানীয় কয়েকজন শীর্ষ নেতাদের কোটি কোটি টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে দেশে থেকে কৌশলে হজ্বের নাম করে পালোনোর চেষ্টা করে।
দীর্ঘ ১৫ বছর নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবার ও স্থানীয় সাবেক সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকার সাথে মিলিত হয়ে লুটপাটের মহোৎসব চালাতো ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান। প্রতিনিয়ত মেঘনা গ্রুপসহ বিভিন্ন কলকারখানা থেকে চাঁদাবাজির বিশাল অর্থ উত্তোলন করে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে এসে শামীম ওসমানের কাছে বস্তায় বস্তায় পুরো টাকার বান্ডিল হস্তান্তর করতো এই মাসুম। শামীম ওসমান ছাড়াও এই পরিবারের সকলকেই নানাভাবে তুষ্ট করেই অপরাধ করতেন তিনি। এই মাসুমের বিরৃুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ।









Discussion about this post