ষ্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার রামারবাগ এলাকার এক সময়ের মুরগী ব্যবসায়ী ও যুবলীগ ক্যাডার আলহাজ্ব মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এখন বিএনপি নেতা বনে যাওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে।
গত ১৭ বছর যুবলীগের ক্যাডার হিসেবে নিজের বলয় তৈরী করে বিএনপি, জামায়াত নেতাকর্মীদের উপর হামলা, মারধর, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছিল।
জুলাই আগষ্টের ছাত্র জনতার আন্দোলন চলাকালীন গুলিবর্ষন করে হতাহতের ঘটনা ঘটিয়ে ছিল যুবলীগ নেতা আজমতের সাথে থেকে।
শুধু তাই নয় আওয়ামী লীগের শাসনামলে সামান্য মুরগী বিক্রেতা থেকে ৪ তলা ভবনের মালিক হয়ে গেছে।
নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানার রামারবাগ এলাকার মৃত হাসান আলির ছেলে সালাউদ্দীন (ওরফে) মুরগী সালাউদ্দিন অবৈধ ভাবে সরকারি রাস্তা ও নিজের জন্মদাতা পিতার জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মান করেন।
সেই সাথে সালাহউদ্দিন রামারবাগ শাহী জামে মসজিদেরও অর্থ সম্পাদক পদ দখল করে আছে ৪ বছর যাবত। মসজিদের আর্থিক অনিয়ম করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমান অর্থ।
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে সালাউদ্দিনের সহধর্মিণী পারভিন বেগম তার মুখ থেকে শিকার করছে তার স্বামী আওয়ামী লীগের দোসর আজমত আলীর কাছ থেকে প্রতি মাসে ১৫ হাজার করে টাকা নিতো এবং বিভিন্ন সাধারণ মানুষদের মিথ্যা মামলায় ফাসিয়ে দিতো।
(এমন একটি ভিডিও ক্লিপ এই প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত আছে।)
অপর একটি সুত্র হতে জানা যায়, তার নিজ বাবার কাছ থেকে ৩ শতাংশ জমি তিনি জোরপূর্বক ভাবে দখল করে নেয় প্রায় ২০ বছর আগে। সেই জায়গার উপরে এখন বহুতল ৪ তলা ভবন করেছে আওয়ামী লীগের দোসর আজমত আলীর পেশি শক্তি খাটিয়ে।
এই মুরগী সালাউদ্দিন সরকারি রাস্তা আর ড্রেনের জায়গা দখল করে এই ভবনটি নির্মান করেছে। তার বাবার করা সেই জমির মামলা এখনো বিচারাধীন চলমান রয়েছে।
জানা যায়, আওয়ামী লীগের সময় আওয়ামী লীগের দোসর আজমত ওরফে ফেন্সি আজমতের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১৫ হাজার করে টাকা নিতো ও আওয়ামী লীগের সময় বিভিন্ন অসহায় পরিবারের জায়গা জমি দখল ও চাঁদাবাজি করে তিনি নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা সহ প্রায় ২-৩ টি বহুল বাড়ির মালিক বনে গেছেন।
লামাপারা এলাকার সুনামধন্য ব্যবসায়ী মুক্তার হাজ্বী ছাড় পায়নি এই মুরগী সালাউদ্দিনের হাত থেকে। আওয়ামী লীগের মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ তাকে এখন পর্যন্ত হয়রানি করছে এই কথা ভিডিও ক্লিপে শিকার করছে তারই সহধর্মিনি পারভীন বেগম।
স্থানীয় সুত্রে আরো জানা যায়, নিজ এলাকায় সুদের ব্যাবসা করে অনেকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সালাউদ্দিন, তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন সুদের ব্যাবসা করে তিনি কি ভাবে একটি মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকে।
৫ আগস্টের পর দেশ জখন অচল এবং আওয়ামী লীগের দোসররা যখন পলাতক। তখন তিনি ভোল পাল্টিয়ে বিএনপির রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
একই সাথে, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার রিয়াদ চৌধুরীর হাত ধরে রামারবাগ এলাকার বিএনপির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও এলাকার ব্যাবসায়ী ও গনমান্য ব্যক্তিদের বিভিন্ন মামলার হুমকি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির শিকার করছে এই মুরগী সালাউদ্দিন।
অবিলম্বে আওয়ামী ডেবিল মুরগী সালাউদ্দিন কে গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে সেনাবাহিনী সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।









Discussion about this post