সোনারগাঁয়ে চাঁদা না দেওয়ায় এক বিএনপি নেতাকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের আরেক নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদার দাবীতে এমন কান্ডের হোতা মো. ফারুক উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
আর ওই হামলার শিকার আব্দুল মতিন মুন্সী সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেলে এমন মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ছাত্রদল নেতা ফারুকসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আব্দুল মতিন মুন্সীর মেয়ে মহিতুন নেছা সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন মতিন মুন্সী।

অভিযোগের বরাত দিয়ে ভূক্তভোগির কন্যা মহিতুন নেছা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার বাবা আব্দুল মতিন মুন্সী উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকার হৈচৈ পার্ক নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। কয়েকদিন যাবৎ ব্যবসা করতেদ হলে বাবার থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ফারুকসহ এলাকায় চিহ্নিত ১০-১২ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী। এমন অব্যাহত মারধর ও হুমকির ঘটনায় তিনি ২ লাখ টাকা চাঁদা দিলেও তাকে পুরো ১০ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য অব্যাহতভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন।
গত বুধবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় চর কিশোরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় আব্দুল মতিন মুন্সী কাছে আবারো চাঁদা দাবি করলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর সাথে সাথেই ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুকসহ তার বাহিনীর শহিদ, বাবু, রিমন, সোহাগ, মাসুদ, ফয়জল, মহিন এবং সাব্বির দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বাবাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম ও পা ও হাতের হাড় ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। এমন ঘটনায় ডাক-চিৎকার শুনে এলাকাবাসী আব্দুল মতিন মুন্সীকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নিয়ে যায়৷
ঘটনার বিষয়ে হামলাকারীদের হোতা সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. ফারুক জানায়, ‘আব্দুল মতিন মুন্সী একটি ছোট ছেলেকে বলাৎকার করার চেষ্টা করে তাই তাকে এলাকাবাসী মারধর করেছে।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মফিজুর রহমান এ ঘটনায় জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। সঠিক তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









Discussion about this post