ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। তবে, বয়স আনুমানিক (৪৫) হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ অংশে অজ্ঞাতনামা মরদেহ পাওয়া যায়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সকালে মহাসড়কের পাশে লাশ পড়ে থাকা অবস্থায় দেখে পথচারীরা পুলিশকে খবর দেয়। বেলা সাড়ে ৯ টার দিকে হাইওয়ে ও থানা পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
থানা ও হাইওয়ের উভয় টিমের সদস্যরা উপস্থিত হওয়ার পরও লাশ উদ্ধার কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয় নিাই। লাশটি বুঝে নেওয়া নিয়ে থানা ও হাইওয়ে পুলিশের মধ্যে চলছে ঠেলাঠেলি। হাইওয়ে পুলিশ বলছে, এটি সড়ক দুর্ঘটনা না হওয়ায় থানা পুলিশ লাশ বুঝে নেবে, অপরদিকে থানা পুলিশের ভাষ্য, সিসি টিভির ফুটেজ দেখেই তারা লাশ গ্রহণ করবেন।
এ বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানান, লাশটি সড়ক দুর্ঘটনা মনে হচ্ছে না। মৃতদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করছি, যে কেউ হয়তো এনে এখানে লাশ ফেলে গেছে। থানা পুলিশ লাশ বুঝে নিতে গড়িমসি করছে। আমরা ঘটনাস্থলে আছি। থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বলতেছি, তাদের লাশ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।
লাশ নিয়ে পুলিশের দুই সংস্থার এমন গড়িমসির কারণ জানতে চাইলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনূর আলম জানান, লাশটি যেহেতু মহাসড়কে, সেক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশ লাশ বুঝে নেওয়ার কথা। তবে মৃতদেহের মাথায় দাগ থাকায় তারা বলছে, আমাদের বুঝে নিতে। আমাদের টিম ঘটনাস্থলের সিসি টিভির ফুটেজ দেখছে। এটা বুঝে নেওয়া নিয়ে ঝামেলা হবে না, সমস্যা নেই।
প্রায় ১২ ঘন্টা মরদেহ সড়কের পাশে পরে থাকার পর শেষ পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ রাত ৮ টায় দায়িত্ব গ্রহণ করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া) মর্গে পাঠায়। এমন ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ আইনশৃংখলা বাহিনীর কর্মকান্ড নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করে অনেকেই বলেন, সড়কের সকল বৈধ অবৈধ পরিবহণে জোড় পূর্বক চাঁদাবাজি করতে ১০ মিনিট সময় দেন না হাইওয়ে পুলিশ। অপরদিকে থানা পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জের চোরাই তেলের কারবারী, কয়েল ফ্যাক্টরী, চুনা ভাট্টিতে গ্যাস চুরিসহ সকল ধরণের অপরাধীদের কাছ থেকে মাসোয়ারা আদায়ে ক্যাশিয়ারদের ক্যাশ আদায়ে বিন্দু পরিমাণ সময় না দিলেও একটি লাশ নিয়ে ঘৃণ্য কর্মকান্ড করতে কোন লাজলজ্জা দেখা যায় নাই কারোর ই । মূলত এই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পক্ষে কেউ টাকা দিতে আসবে না বলেই এই গড়িমসি করলো পুলিশ। যদি এই মরদেহ কোন শিল্পপতির হতো তাইলে লাশ গ্রহণ করতে এতোক্ষণ দুই পক্ষ্যই কতটা জঘণ্য হতো তা চিন্তাই করা কঠিন । আসলে এদের চরিত্রের কোন পরিবর্তন হয় নাই ।









Discussion about this post