সিদ্ধিরগঞ্জে বাসাবাড়িতে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় মারা গেছেন হাসান গাজী।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) ভোররাত ৪টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।,
গত রোববার মারা যায় হাসানের ছেলে রাইয়ান। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে।
এ বিষয়ে নিহত হাসানের ভায়রা তানজিল হোসেন মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তানজিল হোসেন বলেন, হাসানের মেয়ে জান্নাতকে ও স্ত্রী আসমাকে ভোররাতে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। হাসানের আরও এক মেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা ভাল নয়।
সিদ্ধিরগঞ্জের ওই বিস্ফোরণে তানজিলের স্ত্রী ও দুই সন্তানও দগ্ধ হন।
তানজিল হোসেন আরও বলেন, আমার স্ত্রী ও দুই সন্তানের অবস্থা কিছুটা ভাল।
গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পাশাপাশি দুটি কক্ষের নারী ও শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ হলে তাদের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
এমন বিস্ফোরণের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তাৎক্ষণিক ভাবে চুনা ভাট্টি ও মুড়ি কারখানার লোকজন চোরাই গ্যাস বিস্ফোরণের পরিবর্তে ফ্রিজের বিস্ফোরণ বলে প্রচার চালায়। এমন ঘটনা কোন তদন্ত না করেই ফ্রিজের বিস্ফোরণ বলে মন্তব্য করে ফায়ার সার্ভিস ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। একই সাথে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ চোরাই গ্যাসের সংযোগের বিষয়টি অত্যান্ত চতুরতার সাথে এড়িয়ে যাচ্ছে এখনো পর্যন্ত।









Discussion about this post