সম্প্রতি রংধনু গ্রুপের কর্ণধার নানাভাবে বিতর্কিত রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের অনেক দম্পদ ও ব্যাংক একাউন্ট জব্দসহ বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এরপর প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে রংধনু গ্রুপের মালিক রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় তার একটি বিলাসবহুল হোটেলসহ ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক করেছে সিআইডি। (যাকে এলাকার সকলেই রফিকুল ইসলাম বললে চিনেন না অথবা রংধনু গ্রুপের রফিক হিসেবেও পরিচিন নন তিনি। এই রফিকুল ইসলাম কে সকলেই আন্ডা রফিক হিসেবেই চিনেন। কারণ এই রফিকুল ইসলাম এক সময় সড়কের পাশে সিদ্ধ করা ডিম বিক্রি করতে।)
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, ‘মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২)(৪) ধারায় রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা (নং-১৪, তাং-০৭/০৮/২০২৫) দায়ের রয়েছে রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগে সূত্র জানা হয়, আন্ডা রফিক রংধনু বিল্ডার্সের নামে ইসলামী ব্যাংক বারিধারা শাখা থেকে ৪০০ কোটি, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক বসুন্ধরা শাখা থেকে ২৭০ কোটি, ইউনিয়ন ব্যাংক গুলশান শাখা থেকে ২০০ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকার ঋণ প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রহণ করেন।
উল্লেখিত ঋণের টাকা পরিশোধ না করে রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক বিদেশে নাগরিকত্ব গ্রহণ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছেন বলে তদন্তে উঠে আসে।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, তদন্তকালে বনানী ১৭ নম্বর রোডে ৬ শতাংশ ২ ছটাক জমির ওপর নির্মিত ৯ তলা ভবনসহ হোটেল ইউনিক রিজেন্সী এবং সমবায় ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে জামানত রাখা প্রায় ৩৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার সন্ধান পাওয়া গেছে । পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে সিআইডি এই হোটেলটি ক্রোক করে এবং ওই অর্থ ফ্রিজ করে।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট এমন ঘটনায় জানিয়েছে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, অর্থের উৎস অনুসন্ধান, বিদেশে পাচারকৃত সম্পদের খোঁজ এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।









Discussion about this post