নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বিচার সালিশে হাতুড়িপেটায় আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পিবিআই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও এখনো এজাহারনামীয় ১৭ আসামি অধরা রয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই এরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছে। পিবিআই ইতিমধ্যে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী জুয়েল ও রাতুলকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে খান মাসুদের সহযোগী ও আলোচিত ছাত্র হত্যা মামলার আসামি রোমান এখনো পলাতক।
অভিযোগ রয়েছে, আলমগীর হত্যাকাণ্ডের আসামি সোয়েব ও নাদিমের বিরুদ্ধে মেরাজুল ইসলাম হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে—সোয়েব, আশরাফুল ওরফে কালু, পারভেজ, নাদিম, জুয়েল, রাতুল, আনজু, রিপন, নুর আলম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, সুমন, রুবেল, রাসেল, ফরহাদ, ইফরাত ও যুবলীগ নেতা রোমানসহ মোট ১৯ জন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র জুয়েল ও রাতুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা রোমানের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলাসহ জমি দখল ও চাঁদাবাজির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর রোমান স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছিলেন। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর বন্দর উপজেলার বারইপাড়া এলাকায় এক সালিসি বৈঠকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আলমগীর হোসেনকে হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে নিহতের বোন বাদী হয়ে বন্দর থানা্যে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
নিহত আলমগীর হোসেন বন্দর শাহীমসজিদ এলাকার মৃত সোহবান মিয়ার ছেলে এবং মালেক সিকদারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন।









Discussion about this post