নিজস্ব প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া, ভিডিও শেয়ার করা ও চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী সোহেল মিয়াকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে সরকারি সফর আলী কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে আড়াইহাজার থানায় মামলাটি রেকর্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন।
এর আগে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও রহস্যজনক কারণে ওসি সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে মামলাটি গ্রহণ করা হয়।
মামলার বাদী আহত সোহেলের ভাই আ. মোমেন মিয়া জানান, গত ২ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে উপজেলার শিবপুর গ্রামের রিপনের বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি অভিযোগ করেন, “মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়ায় এবং মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষিপ্ত হয় ছাত্রদল নেতা খোরশেদ ও তার সহযোগীরা। পরে পরিকল্পিতভাবে পিস্তল, দা, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় তারা। এতে আমার ভাই সোহেলের মুখে দা দিয়ে কোপ দিলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। মুখ ও হাতে গুরুতর জখম হয়। বৈদ্যুতিক শর্টে তার ডান হাত স্থায়ীভাবে অবশ হয়ে গেছে।”
বর্তমানে সোহেল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবার জানিয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন : হোসেনের ছেলে রোমান (২২), ফজলুল হকের ছেলে রিফাত (২২), মৃত হাছেনের ছেলে আলামিন (৩০), আবদুলের ছেলে আতিক (২০), মৃত চান্দুর ছেলে মজিবুর (৫০) ও মৃত জায়েদ আলীর ছেলে ফজলুল হক (৪৫)। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকেও আসামি করা হয়েছে।
ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, “আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”









Discussion about this post