ফতুল্লার প্রভাবশালী নেতা মীর সোহেল নিজ হাতে গ্রেফতারকৃত ধর্ষণকারী বটতলার সমলার পুত্র লম্পট সুমনকে মিষ্টি খাইয়ে দেয়ার ছবি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় চাউর হয়েছে ধর্ষণকারী সকলেই যুবলীগ কর্মী
নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
সদর উপজেলার ফতুল্লায় চাঞ্চল্যকর কয়েল কারখানার শ্রমিককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়ের পর এবার আরেক দফা তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে ।
ধর্ষণকারী অপরাধীরা নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেলের ঘনিষ্ঠজন বলে ব্যাপকভাবে সমালোচনার ঝড় উঠেছে । দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ৬ জনই ফতুল্লা থানার প্রভাবশালী এই নেতার অত্যান্ত আস্থাভাজন বলেও চাউর হয়েছে পুরো সদর উপজেলায় ।
আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা মীর সোহেলের বিভিন্ন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানেও গ্রেফতারকৃত ধর্ষণকারীরা মিছিল মিটিংয়ের অগ্রভাগেও দেখা যায় বলেও এলাকাবাসীর অভিযোগ থেকে জানা যায় ।
মুলত ফতুল্লার অনেকেই বলেছেন ধর্ষণকারীরা যুবলীগের নেতা মীর সোহেলের অনুগামী ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার প্রবীণ এক চাকুরীজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গ্রেফতারকৃত ধর্ষণকারীরা মীর সোহেলের দোহাই দিয়ে এমন কোন অপকর্ম নাই যা তাদের দ্বারা সংগঠিত হতো না । মিষ্টি খাওয়ানোর ছবি ছাড়াও মিছিল মিটিংয়ের ছবি প্রচার করে এই গ্যাংয়ের সকলেই চাদাবাজি, দখলবাজি, লুটপাট, ছিনতাই করে এলাকাবাসীকে অতিষ্ট করে তুলেছিলো । আর সবশেষে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়ায় স্বস্তি নেমে এসেছে এলাকায়। এমন স্বস্তির বিষয়টিও কেউ মুখ খুলে প্রকাশ করতে ভয় পায় ।
এ বিষয়ে জানতে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেলের বক্তব্য জানতে ফোনে যোগাযোগ করলে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় কোন মন্তব্য পাওয়া যায় নাই ।









Discussion about this post