ষ্টাফ রিপোর্টার :
হোসিয়ারি শ্রমিক মোঃ সিয়াম (১৬) হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামী সহকর্মী মোঃ নিলয় হথ্যাকান্ডের ঘটনায় ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে ।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় সদর থানার উপ পরিদর্শক তাহিদ উল্লাহ আদালতে আবেদন করলে আসামী নিলয় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আবতাবুজ জামানের আদালতের খাস কামড়ায় হত্যাকান্ডের বিষদ বর্ণনা দিয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে ।
জানা যায়, গত রোববার রাতে হোসিয়ারিতে কাজ থেকে বাসায় ফেরেনি সিয়াম। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে কোথাও পাওয়া যায়নি তাকে। পরদিন সোমবার নগরের দেওভোগ এলাকায় শাহ মিন্নত আলী চিশতীর মাজারের পেছন থেকে সিয়ামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
হোসিয়ারি শ্রমিক মোঃ সিয়াম (১৬) হত্যাকান্ডের ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে নিহতের বাবা মোঃ সোহেল বাদি হয়ে তারই সহকর্মী মোঃ নিলয়কে একমাত্র আসামী করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের আগেই গত সোমবার সকালে লাশ উদ্ধারের পরেই নিহতের পরিবারের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুপুরে নগরের বাবুরাইল এলাকা থেকে নিলয়কে গ্রেফতার করা হলে সে সকল ঘটনা পুলিশের কাছে স্বীকার করে বলে জানিয়েছিলেন সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম ।
হত্যার কারণ সর্ম্পকে নিলয় পুলিশের পর আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে জানায়, সিয়ামের রুপার ব্রেসলেটটি সে ধার করে পড়তে নেয়। এরপর সেটি ফেরৎ না দেওয়ায় তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। এ কারণেই সিয়ামকে হত্যার পরিকল্পনা করে ডেকে এনে হত্যা করে ।
লাশ উদ্ধারের পর নিহতের পরিবার জানায়, গত তিনমাস যাবৎ একটি ব্রেসলেট নিয়ে সিয়ামের সঙ্গে তার বন্ধু নিলয় (১৮), আকাশ (১৮), জুম্মন (১৯), বাবু (১৭) ও আরাফতের (১৮) দ্বন্দ্ব চলছিলো। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকবার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে বিচার সালিশের মাধ্যমে এ বিষয়টি সমাধানও করা হয়েছিল। রোববার রাত ৯টায় কাজ শেষে কারখানা থেকে বাসার উদ্দেশ্যে বের হয় সিয়াম।









Discussion about this post