এনএনইউ রিপোর্ট :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ ডিসেম্বর সোমবার আওয়ামীলীগ নেতৃত্বধীন মহাজোট এবং বিএনপি নেতৃত্বধীন ঐক্যফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি নির্বাচনী আসনে মনোনয়ন চ’ড়ান্ত করে প্রতীক বরাদ্ধের পর হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃস্টি হয়েছে। পুরানো অভ্যন্তরীন কোন্দল আবার যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ।
আওয়ামীলীগের বিশাল অংশের নেতাকর্মীরা এবং বিএনপির অধিকাংশরাই মেনে নিতে পারছেন না স্ব স্ব আসনের নৌকা, ধানের শীষ ও লাঙ্গলের প্রতীকের প্রার্থীদের। ফলে প্রতীক পাওয়ার পর এবং আগে থেকেই নিজ নিজ দলের বিরোধী পক্ষকে ম্যানেজ করতে প্রার্থীরা মরিয়া হয়ে চালিয়ে যাচ্ছে যোগাযোগ।
নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি নির্বাচনী আসনে কোন প্রার্থী পরিবর্তন না করায় মহাজোটের কোন কোন প্রার্থী রয়েছে ফুরফুরে মেজাজে আবার কেউ কেউ রয়েছে নানা আশংকায়। মহাজোটের প্রার্থীদের যেমন এই অবস্থা ঠিক বিপরীতে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা রয়েছে মহা টেনশনে । নতুন পাঁচ ধানের শীষের প্রার্থীদের পাশে এখনো পর্যন্ত জেলা বিএনপির কোন শীর্ষ নেতাদের দেখা যা যাওয়ায় হতাশার ছাপ দেখা গেছে অনেকের মাঝে ।
এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আকরাম ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে লড়াই করবেন লাঙ্গলের প্রতীক পাওয়া বর্তমান সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সাথে। এস এম আকরাম ধানের শীষের প্রতীক পেলেও নারায়ণগঞ্জ সদরের এই আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এডঃ আবুল কালাম ছাড়াও অনেক নেতা মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে মনক্ষুন্নে নিশ্চুপ অবস্থানে রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শামীম ওসমান নির্বাচনের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী হলেও ধানের শীষের নতুন প্রার্থী মনির হোসেন কাশেমী সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা নির্বাচনী আসনের সকল নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নির্বাচনের বৈতরনী পাড়ি দিতে। এরই মধ্যে মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপি নেতা শাহ আলমের সাথে মুঠোাফোনে কথা হলেও গিয়াস উদ্দিনের নাগাল পাচ্ছেন না। মহানগর বিএনপির নেতা এটিএম কামালের কাছে ধর্ণা দিলেও মুনির হোসেন কাশেমীর পক্ষে এখনো নির্ধিধায় মাঠে নামার কোন আশ্বাস দিতে পারে নাই কেউ ।
বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের ৫টি নির্বাচনী আসনে ঐক্যফ্রন্টের পাঁচ প্রার্থী কাজী মনির, নজরুল ইসলাম আজাদ, আজহারুল ইসলাম মান্নান, মনির কাশেমী ও এস এম আকরামের প্রতি লাখ লাখ বিএনপি নেতাকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ্য রূপ ধারণ করেছে ।
নতুন প্রার্থীদের সাথে পুরাতন ও বর্তমান সংসদ সদস্যদের সাথে নির্বাচনী সফলতা খুব একটা আদায় করতে না পারার আশংকা থেকে বিএনপির অধিকআংশরাই নিজেদের গুটিয়ে রেখেছে ভোটের মাঠ থেকে।
নারায়নগঞ্জের পাঁচটি নির্বাচনী আসনে নানা সমীকরণ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ৩৫ জন প্রার্থী। ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ভোটের মাঠে লড়াই হবে মূলতঃ ১০ /১২ জনের মধ্যে। বাকী অন্যান্য প্রাথীদের অনেকেই জামানত হারানোর আশংকায় কোন কোন প্রার্থীদের সাথে আতাঁত করে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর পায়তারা করছেন ইতিমধ্যেই ।









Discussion about this post