নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
নাারয়ণগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিয়োগকে কেন্দ্র করে নানা বিতর্কের পর শেষ পর্যন্ত সাত সপ্তাহ পর নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্ব গ্রহন করলেন নাহিদা বারিক ।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) তিনি প্রথম অফিস করেন। এইদিন সকালে উপজেলা পরিষদে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অবহিতকরণ কর্মশালায়ও উপস্থিত ছিলেন।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত কমিশনার (সার্বিক) তারিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সদর ইউএনও হিসেবে নাহিদা বারিকের নিয়োগের বিষয়টি জানানো হলে হোসনে আরা বীনার এক ষ্ট্যাটাসে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয় । ইউএনও হোসনে আরা বীনার ষ্ট্যাটসের কারণে জাতীয় সংসদে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার দাবী তুলেন সংসদ সদস্যগণ ।
এর আগে নাহিদ বারিক প্রথমে বন্দর এবং পরবর্তীতে ফতুল্লা সার্কেল এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নাহিদা বারিক ছিলেন ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের এসিল্যান্ড।
জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ মে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সহকারি কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন নাহিদা বারিক। পরবর্তীতে বন্দর উপজেলায় এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ৯ মাস। পরে যোগদান করেছেন ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের এসিল্যান্ড হিসেবে। দীর্ঘ এক বছর দুই মাস এখানে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে গত ৪ ফেব্রুয়ারি সাবেক সদর ইউএনও হোসনে আরা বিনাকে অন্তঃসত্ত্বার কারণ দেখিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এ নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগতাড়িত স্ট্যাটাস দেন হোসনে আরা বিনা। এ নিয়ে প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিষয়টি সংসদেও উত্থাপন হলে প্রধানমন্ত্রী ওএসডি বাতিলের নির্দেশ দেন। পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি তার ওএসডি বাতিলের নির্দেশ দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে কয়েকজন কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এতো বিতর্কের পরও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দায়িত্ব গ্রহন করলেন নাহিদা বারিক । কি মধু আছে সদর উপজেলার এই চেয়ারে ? সংসদে খোদ প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যগণ এমন বিতর্কের ঘটনায় তদন্ত করার আদেশ দেয়ার পরও কেন নাহিদা বারিককে এই চেয়ারে বসানো হলো ? নাহিদা বারিকের খুটির জোড় কোথায় বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকেই ।









Discussion about this post