ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের রোটারেক্ট নেতা ও পরবর্তীতে পুলিশের চাকরির সুবাদে নারায়ণগজের জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম ফুয়াদ বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আমরা এই বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধাদের অকুতোভয় সাহসের কারণে আমরা এই বাংলাদেশ পেয়েছি।
মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আয়োজিত শ্যূটিং প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবের ব্যবস্থাপনায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, আমরা স্বাধীনতার ৪৯ বছর পেরিয়ে গেছি। আগামী বছর ৫০ বছর রজতজয়ন্তী উদযাপন করবো। জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী চলছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেই পর্যায়ে আসতে পারেনি। আমাদের মাঝে কিছু লোক কিছু গোষ্ঠী আছে তারা বাংলাদেশ মানতে পারে না। তারা এখনও বাংলাদেশকে পাকিস্তান ভাবতে পছন্দ করে। তাদের কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের কাঙ্খিত বাংলাদেশ আমরা এখনও পায়নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ যুগে যুগে পরাধীন ছিল। এই বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আজকে তাকে নিয়েও কচুক্রি মহল বিভিন্ন প্রকার রাজনীতি করছে। ঘৃণ্য অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে। জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙ্গা হচ্ছে। জাতির পিতাকে নিয়ে কটূক্তি করা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা যারা বেঁচে আছেন আপনারা নেতৃত্ব দেন আমরা আপনাদের পিছনে থেকে রুখে দিবো।
পুলিশ সুপার বলেন, যিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করেন না তিনি বাংলাদেশকে বিশ্বাস করেন না। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হতে পারেন না। যিনি বাংলাদেশের পাসপোর্ট ধারণ করবেন তাকে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। জাতির পিতা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের মতবিরোধ চাই না। সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে বলতে পারি এ দেশ আমার।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়ন বিজিবি ৬২ এর সহকারী কমান্ডিং অফিসার মেজর হাবিব ইবনে জাহান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নারায়ণগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ড এর সাবেক কমান্ডার ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী।









Discussion about this post