নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
স্বরণকালে এবারই প্রথম নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মাসুম নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবে জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজি অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে বলেছেন, জনগণের কাছাকাছি এসে প্রমাণ করতে হবে পুলিশ কোন গডফাদারের না। পুলিশ কোন সন্ত্রাসীর না। আমরা চাই নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সুপার হারুনের মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। নারায়ণগঞ্জে আগুন জ্বালানোর কথা বরা হয় । কে আগুন জ্বালাবে ? আগুন জ্বালালে ফায়ার ব্রিগেডও আছে। ফায়ার ব্রিগেড আগুন নিভিয়ে দেবে। কারো কাছে মাথা নত করেতে চাই না আমরা। কারো হুমকির কাছে পুলিশ যেন মাথা নত না করে। পুলিশ এক সময় পুলিশ ছিল। পুলিশ এখন জনগণের বন্ধু।
পহেলা সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে চাষাঢ়ায় রাইফেল ক্লাবে পুলিশের ই-ট্রাফিকিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের প্রতি এভাবেই হুসিয়ারী উচ্চারণ করেন প্রেস ক্লাবে সভাপতি ।
মাহবুবুর রহমান মাসুম আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন হইছে। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ এখন পর্যন্ত মেট্রোপলিটন সিটি হয় নাই। আমরা মেট্রোপলিটন সিটির জন্য সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার কাছে আহ্বান জানাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জবাসী এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে চাই না। সন্ত্রাসমুক্ত নারায়ণগঞ্জ চাই। এই নারায়ণগঞ্জে সাতখুন দেখেছি, পাঁচখুন দেখিছি, বর্বরতা দেখেছি, অসভ্যতা দেখেছি, গডফাদারের রাজত্ব দেখেছি। গডফাদারের সন্ত্রাস মুক্ত নারায়ণগঞ্জ দেখতে চাই। নারায়ণগঞ্জকে মেট্রোপলিটন সিটি হিসেবে দেখতে চাই।
তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমে এসেছে নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রের লাইসেন্স এক হাজারের বেশি। অস্ত্রের লাইসেন্স কারা পায়। চোর, ডাকাত এরা অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার অধিকার নাই। আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু যারা নারায়ণগঞ্জে যারা সন্ত্রাসকে দাপিয়ে বেড়ায় তাদের হাতে অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করার অনুরোধ করছি। যারা অস্ত্র নিয়ে দাপিয়ে বেড়ায় হকারদের উপর সেই সব অস্ত্রধারীদের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। লাইসেন্সকৃত অস্ত্রধারীদের তালিকা প্রকাশ করে যারা সন্ত্রাসী তাদের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মো.জসিম উদ্দিন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই, নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের সেক্রেটারি খালেদ হায়দার খান কাজল, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ রুমন রেজাসহ অনেক গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।
প্রেস ক্লাব সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুমের এমন বক্তব্যের পর জেলা গোয়েন্দা সংস্থার অনেকেই বলেন, দীর্ঘদিনের চাকুরী জীবনে রাইফেল ক্লাবে মাহবুবুর রহমান মাসুমের উপস্থিতি কারো চোখে পরে নাই । আজ রাইফেল ক্লাবে দাড়িয়ে এমন বকত্তব্যই প্রমাণ করে নারায়ণগঞ্জে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে । নয়তো যে রাইফেল ক্লাবের গেইটের সামনে দাড়িয়ে কেউ কথা বলার সাহস পেতো না সেখানে অুষ্টান করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জোড়ারো বক্তব্য ই প্রমাণ করে নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসীরা চুপসে গেছে ।









Discussion about this post