সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে সোর্স নামধারী অপরাধীরা। এদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের সাধারণ মানুষ। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার কয়েক জন অসাধু এসআই এর শেল্টারে সোর্সরা এভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফির্সাস ইনচার্জ (ওসি) মীর শাহিন শাহ পারভেজের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আওয়ামীলীগের প্রবীণ নেতা জানিয়েছেন, কিছু কিছু অসাধু পুলিশ সদস্যরাই এসব সোর্স দিয়ে ইয়াবার ব্যবসা করে থাকেন। আবার কখনও কখনও পয়সা লোকদের টার্গেট করে অসাধু পুলিশ সদস্যরাই সোর্স দিয়ে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
এলাকাবাসী জানায় শুধু সিদ্ধিরগঞ্জের ১নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকায়ই রয়েছে ৮/১০ জন পুলিশের কথিত সোর্স। মিজমিজি টিসিরোড ইউরো টাওয়ার এলাকার মালেকের ছেলে সোর্স ইলিয়াস, আব্দুর রহিমের ছেলে সোর্স সাগর, মাদক ব্যবসায়ী শাহআলমের ছেলে সোর্স খাইরুল, মোমেলার ছেলে সোর্স সবুজ, সামসুদ্দিনের ছেলে সোর্স আল আমিন, সোর্স মিতুল, সোর্স শুক্কুর আলী, সোর্স সোহাগ ও সোর্স নাহিদসহ ৮/১০ সোর্স দিনরাত দাবরিয়ে বেড়াচ্ছে। নিরিহ লোকজনকে টার্গেট করে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছে। তুলে দেওয়ার কিছুক্ষন পর তারাই আবার মোটা অংকের টাকা দিয়ে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে রাখছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কিছু দিন পূর্বে মিজমিজি টিসিরোড ইউরো টাওয়ার এলাকার মালেকের ছেলে সোর্স ইলিয়াস সিআইখোলা এলাকায় এক নিরিহ ব্যাক্তি ইয়াবা দিয়ে ফাসাতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছিল। পরে এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগ অফিসে একটি বিচার হয়। ওই বিচারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম সোর্স ইলিয়াসের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে ছিলেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।









Discussion about this post