এঁটো খাবার, পচাঁ বাসী কাবার ও অত্যান্ত মানহীন খাদ্য সামগ্রী দিয়ে তৈরী খাবার কড়া মসল্লা দিয়ে তৈরীর অভিযোগে অসংখ্যবার জেল জরিমানার মুখে পরলেও সংশোধন হতে পারে নাই শহরের অসংখ্য সুগন্ধা নামক খাবার প্রস্তুতকারী এই প্রতিষ্ঠান টি ।
আবারো নারায়ণগঞ্জে সুগন্ধা বেকারির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ২ লাখ টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের গলাচিপা এলাকায় সুগন্ধা বেকারির কারখানায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে কারখানায় অপরিষ্কার, অপরিচ্ছন্নতা, খাবার তৈরীতে রঙ ও ক্যামিকেল মিশ্রনের কারণে এ অর্থদন্ড প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়।

এর পূর্বে গত ২৮ জুলাই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ ঝেলার কর্মকর্তাগণ ১২৫০ কেজি লাচ্ছা সেমাই অত্যান্ত মানহীন ও প্রতারণার আশ্রয় নেয়ায় জব্দ করে । ভ্রাম্যমান আদরেতের এমন জব্দ করার ঘটনার পর আবারো একই ধরণের অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলো সুগন্ধা নামক খাবার প্রস্তুতকারী এই প্রতিষ্ঠান টি । এমন অসংখ্য অভিযোগের প্রেক্ষিতে দফায় দফায় সুগন্ধা রেস্তেুরাঁ, বেকারী , মিস্টির দোকানসহ সকল প্রতিষ্টানে াভিযান চালিয়ে এমন রাখ লাখ টাকা জরিমানা করলেও এই প্রতিষ্টানটি কোন অবস্থাতেই নিজেদের সংশোধন না করে উল্টো প্রচার চালায়, “এই জরিমানার টাকা কি আমি দেবো ! এই টাকা তো ভোক্তাদের কাছ থেকেই উঠাইয়া নিবো !”
এমন দম্ভোক্তিমূলক বক্তব্যের পর শহরের অনেকের সাথে আলাপ করে সুগন্ধার মালিক ও কর্মচারীদের অনেকেই বলেন, “এই অভিযান লোক দেখানো , নইলে প্রশাসন কি কাজ করছে তার হিসাব দেবে কি করে ? আবার প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তারাই বছরজুড়েই ফ্রি তে কাবার নিয়ে যায় । আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত মাসোয়ারা, ফ্রি খাদ্য সরবরাহ করার পরও এই অভিযান চালাতেই হয় । নইলে প্রশাসনের মান থাকে না বলে অভিযানকারী কর্মকর্তারাই বলে থাকেন !”
সোমবার (১১ জানুয়ারি) অভিযান শেষে খাদ্য অধিদপ্তরের মনিটরিং অফিসার আমিনুল ইসলাম সুমন জানান, কারখানায় অপরিষ্কার, অপরিচ্ছন্নতা, খাবার তৈরীতে রঙ ও ক্যামিকেল মিশ্রনের প্রমান পেয়ে অভিযানে ২ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে এবং আগামীতে এ ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেজন্য কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্য বিশ্লেষক ফারহানুল আলম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতিস্বর পাল, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার, সদর উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক শাহজাহান হালদার প্রমুখ।









Discussion about this post