নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেট :
আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বলতেছি, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং, ভূমিদস্যুতা খারাপ কাজ। মানুষের উপরে জুলুম যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। এক পার্সেন্ট মানুষের কাছে সব মানুষ জিম্মি থাকতে পারে না। সবার মধ্যে খারাপ লোক আছে, আমাদের মধ্যেও আছে। পুলিশের মধ্যেও খারাপ লোক আছে। এর মধ্যেই আমাদের লড়াই করে বাচতে হবে। ভয় পাবেন না। আমরা মাদক, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা, ইভটিজিং, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম ।
নারায়ণগঞ্জ ৪ (ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান শনিবার (২ মার্চ) বিকেল ৪টায় শহরের দুই নম্বর রেল গেইট সংলগ্ন অস্থায়ী মঞ্চে দাড়িয়ে আয়োজিত জনসভায় এমন বক্তব্য প্রদান করেন।
শামীম ওসমান তার দীর্ঘ বক্তব্যে আরো বলেন, আরএস, সিএস দেখে আওয়ামীলীগে নিয়েন। মোশতাক মার্কা আওয়ামী লীগ করতো তাদের দলে দিয়েন না। ইউটিউবে নাকি ভাইরাল হয়েছিলো কার লগে নাকি জামায়াতের কানেকশন আছে। এটা নাকি ভাইরাল হইয়া গেছিলো। এমন আওয়ামীলীগার আমাদের দরকার নাই। একটি পত্রিকা নাকি লিখছে, আমি সমাবেশ ডাকছি পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য । ওই পত্রিকা লিখছে, আজকে নাকি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিবে। কেন ? আমি তো বলবো নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ওয়ান অব দ্য বেস্ট পুলিশ সুপার। নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পর তিনি তিনটি পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি অল্প দিনে মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভাবনীয় কাজ করেছেন তিনি । আমি প্রাউড ফিল করি আমাদের পুলিশ সুপারকে নিয়ে।
শামীম ওসমান বলেন, হাই ভাই বলছেন, এই হাত দিয়ে অনেকের লাশ দাফন করেছিলাম। আমরা লাশ দাফন করার আগে যে একটু সম্মান জানাবো সে সুযোগটুকু পাই নাই। বিএনপির লোকজন আইসা সেই লাশের উপরও গুলি করলো। লাশের শরীর থেকে ৭৫টি গুলি বের করতে হয়েছিলো সেদিন। কেন রে ভাই ? যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলোম বলে ?
শামীম ওসমান বলেন, অনেকেই আছেন আমার লোকদের বিরুদ্ধে কন্ট্রাক্ট নিউজ করান পত্রিকার মধ্যে। যাতে তারা বিপদে পড়েন। আমি তাদেরকে বলে দিতে চাই। সাবধান হোন, বিনা কারণে আমার আওয়ামী লীগের লোকজনের উপর যদি হাত দেওয়া হয় তাহলে কিভাবে জবাব দিতে হয় তা নারায়ণগঞ্জবাসী জানে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, অ্যাড. ওয়াজেদ আলী খোকন, যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়া, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রফেসর শিরিন বেগম, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসরাত জাহান স্মৃতি, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, বিলুপ্ত সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ও আওয়ামীলীগ নেতা মতিন প্রধান, নাজমুল আলম সজল, সুলতান আহমেদ ভূইয়া, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহসিন মিয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা এহসানুল হাসান নিপু, কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, শাহ জালাল বাদল, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ লিটন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম রাফেল প্রধান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দুসহ অনেকেই ।









Discussion about this post