সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক কিশোরের পিস্তল উচিয়ে ব্লাংক ফায়ারের ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে।
রোববার (২৪ নভেম্বর) বিকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ফেসবুক পেজে ওই ভিডিটি আপলোড হয়।
মাত্র ৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ফুলহাতা গেঞ্জি পরিহিত এক কিশোর পিস্তল উচিয়ে একটি গুলি ছুড়ে। ভিডিওটিতে দেখে বুঝা যাচ্ছিল- ফায়ার করার সময় স্বেচ্ছায় ওই কিশোর গুলি ছোড়ার ওই দৃশ্য মোবাইলে কাউকে দিয়ে ধারণ করায়। ভিডিওকারী গুলি ছোড়ার আগে গুলি ছোড়ার ভিডিও ধারণ করতে কাউন্ট ডাউন করছিল।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ভিডি প্রকাশ হওয়ার পর ফেসবুক স্ট্যাটাসে কবীর নামে এক গণমাধ্যমকর্মী লিখেন, “ভিডিওটা দেখে আঁতকে উঠেছি। প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিচ্ছে সোহান নামের এ সন্ত্রাসী। এটা ফতুল্লা থানার পাগলা বৌবাজার এলাকার কোনো এক স্থান থেকে ধারণ করা। এভাবে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী অস্ত্র প্রশিক্ষণ ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমনিতেই নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নকে সবচেয়ে আতংকিত এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
এমন একটা সময়ে এ ভিডিওটি প্রকাশ পেল যখন কুতুবপুরে চলছে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর রাম-রাজত্ব। বৌবাজার এলাকার কালা জাহাঙ্গীরের ছেলে সন্ত্রাসী সোহানকে আটক করলে এই অস্ত্র ও তার মদদদাতাদের নাম পাবে প্রশাসন। আর আটক করতে না পারলে অশান্ত কুতুবপুরে খুন খারাবি চলবেই”।
অস্ত্র নিয়ে গুলি করার প্রশিক্ষণের এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর পুরো জেলায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোন তৎপরতা দেখা যায় নাই । এই অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের কোন সংস্থা কাজ করার খবর পাওয়া না গেলেও এসপি হারুন বদলীর পর নিজেদের অবস্থান অটুট রাখতে গত ২০/২২ দিন যাবৎ নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, এখন চলছে ভিন্ন কাজ । অস্ত্র উদ্ধারের সময় নাই কোন কর্মকর্তার । এসপি হারুন বদলীর পর তার অনুসারীরা এখন “হারুন বিরোধী” সেজে নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখতে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যাপক তদ্বির। যার কারণে এই অস্ত্র ট্রেনিংয়ের খোজ রাখে নাই কেউ !









Discussion about this post