ওসমান পরিবারের আরেক অন্যতম দালাল নানা অপরাধের হোতা সার্বক্ষনিক মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় থাকা বন্দরের কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান ওরফে তেলচোরা দেলুকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ দিনের রিমাণ্ডে নিয়েছে পুলিশ।
আজ সোমবার (৩ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুদ্দিন কাদিরের আদালতে রিমাণ্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মো. কাইউম খান জানান, সদর থানার আবুল হাসান স্বজন হত্যা মামলায় দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দশ (১০) দিনের রিমাণ্ড আবেদন করা হয়েছিলো। ওই মামলায় আদালত ৪ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি (রোববার ) রাত সাড়ে আটটার দিকে বন্দর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় রোববার দেলোয়ার হোসেন ওরফে তেলচোরা দেলুকে।
দেলোয়ার হোসেন ওরফে তেলচোরা দেলু বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা রয়েছে। মামলাগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে সে বিষয়ে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এ দিকে কুখ্যাত তেল চোর দেলোয়ার প্রধান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পতনের পর বীরের বেশে ঘুরে বেড়ালেও তাকে গ্রেফতার না করার বিষয়ে নিজেই দম্ভাকারে বলে বেড়াতেন, ‘আমি নারায়ণগঞ্জ পুলিশের সাথে ব্যবসা করি। কোন পুলিশ আমাকে ধরবে ? নারায়ণগঞ্জের পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে আমার সম্পর্ক খুবই ভালো। পুলিশের এমটি ওসির সাথে তেলচুরির ভাগ বাটোয়ারা করেই জ্বালানী তেলের ব্যবসা করি । আমারে পুলিশের বড় কর্তারাই যখন খুব ভালো করেই চিনেন আর থানা পুলিশ আমার কি করবো ? আমার কিছু হইবো না এম টি ওসি আগে থেইক্কাই ঠিক কইরা রাখছে !“
প্রায়ই দেলোয়ার প্রধান প্রকাশ্য মদ্যপান করে এমন মন্তব্য করায় বন্দরের অনেকেই বলেন, এমন কুখ্যাত অপরাধীর সাথে পুলিশ এতোদিন তেলের ব্যবসা করছে কেমনে ?









Discussion about this post