নিজস্ব প্রতিবেদক
সদর উপজেলার ফতুল্লায় স্ত্রী কে হাত বেধে জবাই করে হত্যা করেছে তার স্বামী।
পারিবারিক কলহের জের ধরে বুধবার সকালে স্ত্রী তানজিদা আক্তার পপি (২৫) কে জবাই করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী হীরা চৌধুরী (৩০) কে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্বার করে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার পূর্ব লামাপাড়া এলাকায়।
আটককৃত ঘাতক স্বামী হীরা চৌধুরী ফতুল্লা থানার পূর্ব লামাপাড়ার ওমর চৌধুরী তুহিনের পুত্র।
নিহত গৃহবধূ তানজিদা আক্তার পপি ফতুলার বক্তাবলীর রাজাপুরের মৃত আলী আশরাফের মেয়ে।তাদের ঘরে তুষাত (১০) ও তোয়াফ (৬) নামক দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
ফতুল্লা থানা পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ঘাতক স্বামী হীরা চৌধুরী স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে জবাই করে হত্যা করে পাশের রুমে গিয়ে আত্নগোপন করে। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক কে আটক করে মৃত দেহ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ঘাতক স্বামী মাদকাসক্ত বলে জানা যায়।
নিহত গৃহধুর মা জানায়, তেরো বৎসর পূর্বে উভয় পরিবারের পারিবারিক সম্মতিক্রমে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে শ্বশুড় বাড়ীর লোকজন নানা অজুহাতে বিভিন্ন সময় টাকা দাবী করে আসছিলো। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে সব সময় চাহিদা পুরনের চেস্টা করতো। জমি বিক্রি করেও মেয়ের সুখের জন্য চাহিদা পুরন করেছে। সর্বশেষ হত্যাকান্ডের আগের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরেও তার মেয়র শ্বশুড় বাড়ীতে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে এসেছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে তাদেরকে ফোন করে জানানো হয় তার মেয়ে শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে।
সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন তার মেয়েকে জবাই করে হত্যা করেছে পাষন্ড স্বামী।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক জাকির মাসুদ জানায়, ঘটনার সংবাদ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত গৃহবধূর হাত বাধা রক্তাক্ত দেহ উদ্বার করে হাসপাতালে পাঠায়।
পরে পাশের রুমে আত্নগোপন করে থাকা ঘাতক স্বামী কে আটক সহ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্বার করে।ভনিহত গৃহবধূ তানজিদা আক্তার পপি কে হাত বেধে গলায় ও গাড়ের পিছনে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। হত্যাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।









Discussion about this post