জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলীকে উদ্দেশ্য করে নারায়মগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেছেন, ‘মিস্টার মোহাম্মদ আলী নাকি কিং মেকার, উনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা ৷ রফিউর রাব্বি প্রশ্ন করেছিলেন তার উত্তর দিতে পারেন না ৷ কোন সেক্টরে, কার আন্ডারে আপনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন সে উত্তর দিতে না পেরে রফিউর রাব্বিকে রাজাকার বলে গালি দিয়েছেন ৷ স্বাধীনতার পরে আদমজীতে ডাকাতি কে করেছিল ? চোরের মার বড় গলা হতে পারে না৷ আপনার লজ্জা হওয়া উচিত ৷’
নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার ১০৯ মাস উপলক্ষে আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন ৷ শুক্রবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয় ৷
তিনি বলেন, ‘ওয়ান-এলিভেনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন আপনি ৷ এখন ওসমানদের পা চেটে চেটে চলতে হয় আপনার ৷ রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মিশনে নেমেছেন ৷ রাজাকার রাজাকারই আর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধাই ৷ মুক্তিযোদ্ধাদের মান-সম্মান নিয়ে খেলবেন না ৷’
এ সময় অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম আরও বলেন, ‘শামীম ওসমান অনেক কথা বলেছেন কিন্তু সাংবাদিক সম্মেলনে আপনি আসতে পারেন নাই, ত্বকী হত্যার বিচার চান, বলতে পারেন নাই ৷ চ্যালেঞ্জ করেছিলাম আপনাকে৷ আপনি তা না করে উদ্ভট কথাবার্তা বলেন৷ আপনার দিন শেষ হয়ে গেছে, এর আলামতও আমরা পাচ্ছি৷’ ‘আমরা আমাদের সন্তান হত্যার বিচার চাই৷ সেজন্য আমাদের জিব টেনে ছিঁড়ে ফেলবে বলে হুমকি দেয় ৷ খোকন সাহা জিব কেটে শীতলক্ষ্যায় ভাসিয়ে দেবেন বলেন৷ আসেন দেখি আপনার বুকের পাটা কতটুকু, তা আমরা দেখতে চাই৷’
তিনি বলেন, ‘আমরা ত্বকী হত্যার বিচার চাই৷ যত নাটক সাজান, বোমা হামলা করেন, সবুজের ছেলের গায়ে হাত তোলেন, আমাদের মেরে ফেললেও ত্বকী হত্যার বিচার দাবি থেকে এক চুলও নড়বো না৷’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ত্বকী হত্যার বিচারের নির্দেশ দিন৷ ওসমান পরিবারকে না দেখে নারায়ণগঞ্জের মানুষের দিকে তাকান৷ ত্বকী হত্যার বিচার হতেই হবে৷ আপনার সরকার আমলেই হবে৷’
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে সংগঠনের সহসভাপতি ধীমান সাহা জুয়েলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক ও নিহত ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সমমনার সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা, সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি প্রদীপ ঘোষ, চারণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি প্রদীপ সরকার, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন প্রমুখ৷ সঞ্চালনা করেন জোটের সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাহমুদ৷









Discussion about this post