নারায়ণগঞ্জের এক সময়ের দন্ডমুন্ডের কর্তা গডফাদারখাত শামীম ওসমান ও সাবেক মন্ত্রী ভূমিদস্যুখ্যাত গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীকসহ ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে একটি গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নতুন করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এই মামলায় আরো অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ৩০০ জনকে।
আজ মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুপুরে আদালতের আদেশে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা-পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম।
সুনামগঞ্জ জেলা সদরের পার্বতীপুরের আফতাব মিয়ার পুত্র লিটন মিয়া ৬ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে এই মামলার আবেদন করেন।
আদালত শুনানি শেষে ৯ মার্চ আদালত মামলা হিসেবে রুজু করতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
এই মামলার এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, গোলাম দস্তগীর গাজীর ছেলে গোলাম মর্তুজা পাপ্পা, রূপগঞ্জের তারাব পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আওলাদ হোসেন বাদল, সাধারণ সম্পাদক মনির খান সুমেল, তারাব পৌর যুবলীগের সহ সভাপতি মহাসিন ভূঁইয়া, পৌর যুবলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান সিয়াম, যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ খান, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, যুবলীগ নেতা রাব্বী, রায়হান কবির সুমন, রাকিব মিয়া, আল আমিন, তৌহিদুল ইসলাম, ফয়সাল কানন, বাপ্পী, জাহিদ হাসান, মেহেদী হাসান, মাহিনুর রহমান, ইলিয়াস, ফিরোজ ভূঁইয়া।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাদীর ভাই মিজান গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় অবস্থান নেন। ওই সময় শামীম ওসমানসহ কয়েকজনের নির্দেশে আসামিরা বাদীর ভাই মিজানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে গুরুতর জখম করেন। এতে মিজান বাঁ পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসা গ্রহণ করে।









Discussion about this post