সোনারগাঁও প্রতিনিধি :
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনিয়মের খবর আসছে দাবি করে অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, তার অধিকাংশ পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, একাধিক কেন্দ্রে প্রকাশ্যে জাল ভোট প্রদান করা হচ্ছে এবং ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে কেন্দ্র ত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়ায় এবং প্রার্থীদের সমান সুযোগ না থাকায় এ নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়েছে। তাই আমি এই প্রহসনের অংশ হতে চাই না।”
তিনি আরও দাবি করেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশিত ছিল; তবে বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। এসব কারণে তিনি ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
এদিকে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই বা তদন্তের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের মাঝপথে কোনো প্রার্থীর ভোট বর্জনের ঘোষণা সংশ্লিষ্ট আসনের রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে এমন সিদ্ধান্ত ভোটারদের অংশগ্রহণ ও ফলাফলের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনটি ঐতিহাসিকভাবে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। ফলে এই আসনে নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বরাবরই লক্ষণীয়।








Discussion about this post