স্টাফ রিপোর্টার :
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চাঞ্চল্যকর এক প্রতারণার ঘটনা উদঘাটন করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গরুর মাংস বলে দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান মিলেছে।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে জবাই করা ৯টি এবং জীবিত ১১টি ঘোড়া।
আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভোরে উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ১০ নম্বর সেক্টরের হারারবাড়ি এলাকার একটি নির্জন প্লটে অভিযান চালিয়ে এ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, একটি অসাধু ব্যবসায়ী চক্র গোপনে বিভিন্ন স্থান থেকে ঘোড়া সংগ্রহ করে পূর্বাচলের নির্জন প্লটে এনে জবাই করত। পরে সেই মাংস গরুর মাংস হিসেবে কম দামে স্থানীয় বাজারগুলোতে সরবরাহ করা হতো। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারণার শিকার হয়ে না জেনেই ওই মাংস ক্রয় ও ভক্ষণ করছিলেন।
পূর্বাচল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হারুন অর রশিদ জানান, ভোরের দিকে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া এবং জবাই করা ৯টি ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং জবাইকৃত মাংস জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে প্রতারণা চালিয়ে আসছিল। পূর্বাচলের নির্জন এলাকাগুলোকে তারা বেছে নেয় নজরদারি এড়াতে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিশ্লেষণ :
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে মাংসের মান যাচাই ও নিয়মিত তদারকি জোরদার না হলে এ ধরনের প্রতারণা আরও বাড়তে পারে।









Discussion about this post