স্টাফ রিপোর্টার :
চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসনাঈন আহমেদকে অবশেষে ক্লোজড করা হয়েছে।
তবে প্রশ্ন উঠেছে—এতদিন ধরে অভিযোগ চললেও কেন আগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ?
মঙ্গলবার রাতে তাকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হলেও স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি দায়িত্বের আড়ালে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির মতো কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন অজুহাতে মানুষকে ডেকে এনে টাকা আদায় এবং প্রভাব খাটিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল ছিল তার নিয়মিত কাজ।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, একাধিক অভিযোগ জমা পড়ার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শুরু হয় তদন্ত, আর তারই প্রাথমিক ফল হিসেবে তাকে ক্লোজড করা হয়।
তবে অনেকের প্রশ্ন—এটি কি শুধু লোক দেখানো ব্যবস্থা, নাকি সত্যিই কঠোর শাস্তির দিকে এগোবে প্রশাসন ?
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন ক্লোজডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল।
জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) মো. মেহেদী ইসলামও একই কথা জানিয়েছেন।
এদিকে সচেতন মহলের অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে এমন অসাধু কর্মকর্তাদের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা বলছেন, শুধুমাত্র ক্লোজড করেই দায় শেষ করলে চলবে না—দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপকর্ম করার সাহস না পায়।
স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো এমন ঘটনা আবারও ঘটবে, আর সাধারণ মানুষই হবে ভুক্তভোগী।









Discussion about this post