ইউপি সদস্য প্রার্থিতা নিয়ে দ্বন্দ্ব: রূপগঞ্জে সাবেক সেনা কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা, লুটপাট
নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ:
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য পদে প্রার্থিতা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক ওই সেনা কর্মকর্তা রাইসুল মিল্কিসহ অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত রাইসুল মিল্কির স্ত্রী মুক্তা আক্তার জানান, তার স্বামী একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সার্জন এবং আসন্ন গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী। একই ওয়ার্ডে ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেনও প্রার্থী হওয়ায় তাদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভুলতা এলাকায় বিএনপির একটি শোভাযাত্রা শেষে আলমগীর হোসেন ও তার অনুসারীরা গোলাকান্দাইল এলাকায় রাইসুল মিল্কি ও মিলন ভুঁইয়াকে মারধর করেন। পরে রাতে আলমগীর হোসেনের নির্দেশে তার নিয়োজিত ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি সশস্ত্র দল রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাওঘাটে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়।
হামলাকারীরা বাড়ির দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। খবর পেয়ে ভুলতা ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।









Discussion about this post